📌 মৌলভীবাজার সদর ও শ্রীমঙ্গলের সীমান্তে অবস্থিত ধোবারহাট হাটে হাওরের মাছ, স্থানীয় সবজি, শালুক, গাবফল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের জমজমাট বাজার চলছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই হাটের বয়স ১০০ বছরেরও বেশি
মৌলভীবাজার সদর ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত ধোবারহাট হাটে সপ্তাহে দুই দিন সোমবার ও বৃহস্পতিবার হাওরের মাছ, স্থানীয় সবজি, শালুক, গাবফল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের জমজমাট বাজার চলছে। এই ঐতিহ্যবাহী বাজারটি এলাকার সবচেয়ে বড় মোকাম হিসেবে পরিচিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজার সদর ও শ্রীমঙ্গলের সীমান্তে অবস্থিত ধোবারহাট হাটে সপ্তাহে দুই দিন বাজার বসে — সোমবার ও বৃহস্পতিবার
- 📌 হাটের প্রধান পণ্য হাওরের মাছ, স্থানীয় সবজি, শালুক, গাবফল, হাঁস-মোরগ, গরু, শুঁটকি, ডিম এবং বেতের কুলা-ডালাসহ সংসারের নানা জিনিস
- 📌 স্থানীয়রা মনে করেন, এই হাটের বয়স ১০০ বছরেরও বেশি — তবে শুরুর জায়গা নিয়ে দুই মত রয়েছে
- 📌 হাটের একটি গলিতে শালুক বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩০ টাকা — যা হাইল হাওর থেকে আনা হয়
- 📌 গাবফলের কষ মাছ ধরার জালে মাখানো হয় — তবে গাব বিক্রির ঐতিহ্যবাহী দৃশ্য আর আগের মতো নয়
📰 বিস্তারিত
দুপুরের দিকে ধোবারহাট হাটে মানুষের চলাচল শুরু হয়। কারও মাথায় মাছের ডালা, কারও কাঁধে শাকসবজির বোঝা, কারও হাতে পানের আঁটি — সবাই একই গন্তব্যে যাচ্ছেন। এই বাজারটি মৌলভীবাজার সদর ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত। বাজারের অর্ধেক পড়েছে শ্রীমঙ্গলের মীর্জাপুর ইউনিয়নে, বাকি অর্ধেক সদরের আপার কাগাবলা ইউনিয়নে।
বাজারের প্রতিটি গলিতে আলাদা ধরনের পণ্য বিক্রি হয়। কোনো গলিতে শাকসবজি, কোনো গলিতে পান-সুপারি, কোথাও কলা, কোথাও হাঁস-মোরগ। আরেকটি গলিতে মাছ, আরেকটি গলিতে শুঁটকি আর ডিম। অন্য গলিতে বেতের কুলা-ডালাসহ সংসারের নানা জিনিস বিক্রি হয়। হাটের ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেকেই সড়কের পাশে বসেছেন পণ্য বিক্রি করতে।
হাটের বয়স ঠিক কত তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারেন না, তবে স্থানীয়রা মনে করেন, এটি ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো। তবে হাটের শুরুর জায়গা নিয়ে দুই মত রয়েছে — কেউ বলেন, হাট বসত এখনকার জায়গার পূর্ব দিকে গোপলা নদীর ওপারে, আর কেউ বলেন, পশ্চিম দিকে এক টিলার ওপর।
"আগর জালও নাই, গাবও নাই" এক বস্তা গাবফল নিয়ে এসেছেন অয়েছ আলী। তিনি মৌলভীবাজার শহরের বড়হাট এলাকা থেকে ৪০০ টাকায় একটি গাছের ফল কিনেছেন। গাবফল ভেঙে হাঁড়িতে জ্বাল দিয়ে কষ বের করা হয়, সেই কষ মাছ ধরার জালে মাখানো হয়।
স্থানীয় কালা মিয়া বলেন, গাব বিক্রির সেই ঐতিহ্যবাহী দৃশ্য আর আগের মতো নেই। তিনি উল্লেখ করেন, ‘২০-’ (সূত্রে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী)।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৌলভীবাজার সদর ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তে (ধোবারহাট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অয়েছ আলী, কালা মিয়া, স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ বছরেরও বেশি (হাটের বয়স), ৩০ টাকা (শালুক কেজি প্রতি), ৪০০ টাকা (গাবফল কিনতে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!