📌 ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যৌথ অভিযানে জুরাইন এলাকায় হাজারো হকারের অস্থায়ী দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুর রহমান। হকারদের দাবি জানানোর পাশাপাশি কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জানিয়ে দেন যে, আর এঁরা পুনরায় বসতে পারবেন না।
ঢাকার জুরাইন এলাকায় আজ সোমবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া ডিএসসিসি ও ডিএমপির যৌথ অভিযানে রাজধানীর জুরাইন রেলগেট থেকে বালুর মাঠ বাজার পর্যন্ত হাজারো হকারের অস্থায়ী দোকান ও রাস্তার ওপর নির্মিত ছাউনিগুলো ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানে ঢাকা-মাওয়া সড়কের ওপর গড়ে ওঠা হকারদের অস্থায়ী দোকান, ফুটপাতের ওপর নির্মিত দোকানের বর্ধিতাংশ এবং সরকারি জায়গায় নির্মিত দোকানসমূহ সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সকাল ১০টায় শুরু হওয়া অভিযানে ঢাকা-মাওয়া সড়ক ও জুরাইন এলাকার প্রধান রাস্তা ও ফুটপাত থেকে হাজারো হকারের অস্থায়ী দোকান ও ছাউনি ভেঙে দেওয়া হয়েছে
- 📌 অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন ওয়ারী বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুর রহমান এবং শ্যামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম
- 📌 ৬-৭ বার আগে উচ্ছেদ করা হবার পরও এই অভিযানে কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছেন যে, আর হকাররা এখানে বসতে পারবেন না
- 📌 অভিযানে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলে অভিযান, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জমিতে নির্মিত দোকানও ভেঙে দেওয়া হয়েছে
- 📌 হকারদের দাবি: "আগে জানানো হতো না, তাই মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল" — অভিযানে থাকা পেট্রল ইন্সপেক্টর গাজী মুসা দাবিকে অস্বীকার করে বলেন, "তিন দিন যাবৎ মাইকিং করে সরে যেতে বলা হয়েছিল"
📰 বিস্তারিত
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আজ সোমবার সকাল ১০টায় জুরাইন এলাকায় হকার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এই এলাকায় ঢাকা-মাওয়া সড়কের ওপর গড়ে ওঠা হাজারো হকারের অস্থায়ী দোকান, ফুটপাতের ওপর নির্মিত ছাউনিগুলো এবং সরকারি জায়গায় নির্মিত দোকানসমূহ ভেকু দিয়ে সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্পেশIAL মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুর রহমান। তিনি বলেছেন, "এ পর্যন্ত ৬-৭ বার এঁদেরকে উচ্ছেদ করেছি। এবারের উচ্ছেদ ভিন্ন ধরনের। এঁদেরকে আর বসতে দেওয়া হবে না।" শ্যামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেছেন, "হকাররা যেন পুনরায় বসতে না পারে সে জন্য আমরা নিয়মিত মনিটরিং করব।"
অভিযানে হাজারো হকারের জীবিকা বিপন্ন হয়েছে। চায়ের দোকানদার শহীদ বলেছেন, "আমরা গরিব মানুষ, কি করে খাব। দোকানটি ভেঙে দেওয়ায় পরিবার নিয়ে খুবই কষ্টে দিন কাটাতে হবে।" পোশাক বিক্রেতা জসিম বলেছেন, "আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করে আসছি। এখন আমাদের দোকান উচ্ছেদ করায় চরম বিপাকে পরতে হবে।"
এলাকার বাসিন্দা রুবেল বলেছেন, "মেইন রোড ও ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ করাকে স্বাগত জানাই। কিন্তু এঁরাও তো গরিব মানুষ। এঁদের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।" তিনি দাবি করেছেন, "হকারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত।"
"আমাদের আগে জানানো হয়নি। তাহলে আমাদের মালামাল ও দোকানের ক্ষয়ক্ষতি হতো না।" — অভিযানে থাকা পুলিশের পেট্রল ইন্সপেক্টর গাজী মুসা
অভিযানে থাকা পেট্রল ইন্সপেক্টর গাজী মুসা বলেছেন, "আমরা তিন দিন যাবৎ মাইকিং করে হকারদের সরে যেতে বলি। কিন্তু তাঁরা কোন কর্ণপাত করেননি। তাঁদের অভিযোগ সঠিক নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জুরাইন রেলগেট থেকে বালুর মাঠ বাজার (ঢাকা-মাওয়া সড়ক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্পেশIAL মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুর রহমান, ওসি নজরুল ইসলাম, পেট্রল ইন্সপেক্টর গাজী মুসা, হকার শহীদ ও জসিম, এলাকাবাসী রুবেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০:০০ (সকাল), ৬-৭ (বার), ১০:০০-১৫:০০ (সময়), ১১.২৫ টন (চাল), ৫ টন (চুরি করা চাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!