📌 কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানায় গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৮ জন কিশোরের মধ্যে কেউ কেউ থানার ভিতরে চেয়ার ভাঙচুর করে বের হয়ে যায় এবং ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়। অভিভাবকরা তাদেরকে আবার থানায় নিয়ে আসেন। পুলিশ দাবি করে কোনো ভাঙচুর ঘটেনি
কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানায় গত বুধবার সন্ধ্যায় গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৮ জন কিশোরের মধ্যে কেউ কেউ থানার ভিতরে চেয়ার ভাঙচুর করে বের হয়ে যায় এবং থানার সামনে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়। অভিভাবকদের হস্তক্ষেপে তাদেরকে আবার থানায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশ দাবি করে কোনো কক্ষের দরজা বা আসবাবপত্র ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানায় গ্যাংবিরোধী অভিযানে ২৮ জন কিশোর আটক, তাদের মধ্যে কেউ কেউ থানার ভিতরে চেয়ার ভাঙচুর করে বের হয়
- 📌 বেরিয়ে যাওয়ার পর কিশোররা থানার সামনে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়, অভিভাবকরা তাদেরকে আবার থানায় নিয়ে আসেন
- 📌 থানার উপপরিদর্শক রেজুয়ানুল হক বলেন, কোনো কক্ষের দরজা বা আসবাব ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি, তবে কক্ষের ভিতরে চেয়ার ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়
- 📌 অভিভাবকদের দাবি, আটক কিশোরদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে পুলিশের কোনো অপরাধসংক্রান্ত রেকর্ড নেই
- 📌 ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, তিনি কল কেটে দেন
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন আড্ডাস্থলে অভিযান চালায়। অপ্রয়োজনে ঘোরাফেরা এবং আড্ডা দেওয়ার কারণে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সন্দেহে ২৮ জন কিশোরকে আটক করা হয়। থানার একটি পরিত্যক্ত কক্ষে তাদের রাখা হয়। কক্ষের ভিতরে একটি প্লাস্টিকের চেয়ার উল্টে পড়া অবস্থায় দেখা যায়।
আটক কিশোরদের মধ্যে কেউ কেউ থানার ভিতরে চেয়ার ভাঙচুর করে বের হয়ে যায়। বেরিয়ে যাওয়ার পর তারা থানার সামনে জড়ো হয়ে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, তাদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম হ্যান্ডমাইকে ব্যবহার করে উত্তেজিত কিশোরদের অভিভাবক ও স্বজনদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে অভিভাবকরা তাদেরকে আবার থানায় নিয়ে আসেন এবং পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
থানার উপপরিদর্শক রেজুয়ানুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আটক কিশোরদের থানাহাজতের একটি পরিত্যক্ত কক্ষে রাখা হয়েছিল। একসঙ্গে ২৮ কিশোর থাকায় সেখানে কিছুটা ঝামেলা হয়েছিল। তবে থানার কোনো কক্ষের দরজা বা আসবাব ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি।’
অভিভাবকদের দাবি, আটক কিশোরদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে পুলিশের কোনো অপরাধসংক্রান্ত রেকর্ড নেই। তারা স্বাভাবিকভাবে সহপাঠীদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল। কিশোরদের আটকের খবর পেয়ে অভিভাবক ও স্বজনরা থানার ফটকের সামনে জড়ো হন। এ সময় সেখানে হট্টগোল ও উত্তেজনা তৈরি হয়।
"আটক কিশোরদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধসংক্রান্ত কোনো রেকর্ড নেই। তারা স্বাভাবিকভাবে সহপাঠীদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল।"
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন দাবি করেন, ‘এটি একটি ভুল–বোঝাবুঝিমাত্র।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দাউদকান্দি মডেল থানা, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপপরিদর্শক রেজুয়ানুল হক, ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম, অভিভাবকদের, আটক কিশোরদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ জন কিশোর আটক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!