📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ক্রাচে ভর করে ১৮ বছর ধরে ইট ভাঙা: এক পঙ্গু বাবার সংসার চালানোর কঠিন গল্প

ক্রাচে ভর করে ১৮ বছর ধরে ইট ভাঙা: এক পঙ্গু বাবার সংসার চালানোর কঠিন গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুরের বিল্লাল খান (৪২) ১২ বছর বয়সে দুর্ঘটনায় পা হারান। কিন্তু ক্রাচে ভর করে ১৮ বছর ধরে ইট ভাঙে সংসার চালাচ্ছেন। দিনে ৫০০-৬০০ টাকা মজুরি নিয়ে মাসে ১৫-১৬ দিন কাজ করে বাসাভাড়া ও পরিবারের খরচ পূরণ করছেন তিনি

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার কলাদী এলাকায় একটি নির্মাণকাজে ক্রাচে ভর করে ইট ভাঙছেন বিল্লাল খান (৪২)। ১২ বছর বয়সে দুর্ঘটনায় ডান পা হারানোর পরেও তিনি ১৮ বছর ধরে এই কঠোর পরিশ্রমে নিজের সংসার চালাচ্ছেন। দিনে গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা মজুরি নিয়ে মাসে মাত্র ১৫ থেকে ১৬ দিন কাজ করে বাসাভাড়া ও পরিবারের খরচ পূরণ করছেন বিল্লাল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১২ বছর বয়সে দুর্ঘটনায় পা হারান বিল্লাল খান (৪২) — মসলা গুঁড়া মেশিনে লুঙ্গি আটকে পা ভেঙে যায়, চিকিৎসকের পরামর্শে ডান পা কেটে ফেলতে হয়
  • 📌 ১৮ বছর ধরে ক্রাচে ভর করে ইট ভাঙে — দূরদূরান্তে নির্মাণকাজে যেতে হয়, কাজের জন্য ২-৩ কিলোমিটার হেঁটে যেতে হয়
  • 📌 দিনে ৫০০-৬০০ টাকা মজুরি — মাসে মাত্র ১৫-১৬ দিন কাজ পায়, বাসাভাড়া ও পরিবারের খরচ পূরণের জন্য সংগ্রাম করছেন
  • 📌 বাবা জলিল খান দিনমজুরি করতেন — শৈশবে বাবাকে হারান, তার মৃত্যুর পর আয় বন্ধ হয়ে যায়, পরিবারকে একাকী চালাতে হয়
  • 📌 মতলব দক্ষিণ ইউএনও ইশমাম — প্রশাসনের সহায়তা আশ্বাস দিয়েছেন বিল্লালের সংসার চালানোর কাহিনী শুনে

📰 বিস্তারিত

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার চৌরাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল খান (৪২) শৈশবে বাবাকে হারান। বাবা জলিল খান দিনমজুরি করতেন, কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের আয় বন্ধ হয়ে যায়। বিল্লালের দুই ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে তিনি বড়। ১২ বছর বয়সে এক দুর্ঘটনায় তাঁর ডান পা হারান। মসলা গুঁড়া করার মেশিনে লুঙ্গি আটকে পা ভেঙে যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে ডান পা কেটে ফেলতে হয়।

পা হারানোর পরও বিল্লাল মনোবল হারাননি। প্রথমে মামার চায়ের দোকানে কর্মচারীর কাজ নেন। পরে নিজের চায়ের দোকান খোলেন, কিন্তু লোকসান হওয়ায় বন্ধ করতে হয়। ২০০৬ সালের শুরুতে পরিবার নিয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলায় আসেন। এখানে আসার পর প্রথম দুই বছর দিনমজুরির কাজ করেছেন। পরে ইট ভেঙে খোয়া তৈরির কাজ শুরু করেন। বিল্লাল জানান, প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা আয় করেন। মাসে কাজ পান ১৫ থেকে ১৬ দিন। কাজের জন্য ক্রাচে ভর করে তাঁকে কখনো দুই-তিন কিলোমিটার হেঁটেও যেতে হয়।

বিল্লালের সহকর্মী বিল্লাল হোসেন বলেন, পঙ্গু হওয়া সত্ত্বেও বিল্লাল খান কঠোর পরিশ্রম করে সংসার চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘অনেকে বলত, কাজ করার দরকার কী, মানুষের কাছে হাত পাতলেই হয়। কিন্তু কারও কাছে হাত পাততে শরম লাগে। ভিক্ষা করতে ঘৃণা লাগে। তাই নিজেই গতর খাইটা চলতাছি।’

মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম ইশমাম জানান, শারীরিক বাধা জয় করে বিল্লাল যেভাবে টিকে থাকার লড়াই করছেন, তা বিরল। প্রশাসন থেকে তাঁকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বিল্লাল বলেন, ‘বাসাভাড়া দিয়ে এই আয়ে কুলায় না। সরকারের কাছে অনুরোধ, আমারে থাওনের একটা বাড়ি যেন কইরা দেয়।’

"অনেকে বলত, কাজ করার দরকার কী, মানুষের কাছে হাত পাতলেই হয়। কিন্তু কারও কাছে হাত পাততে শরম লাগে। ভিক্ষা করতে ঘৃণা লাগে। তাই নিজেই গতর খাইটা চলতাছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলাদী, মতলব দক্ষিণ উপজেলা, চাঁদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিল্লাল খান (৪২), জলিল খান (বাবা), বিল্লাল হোসেন (সহকর্মী), কে এম ইশমাম (ইউএনও)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বছর (ইট ভাঙার সময়কাল), ৪২ বছর (বিল্লালের বয়স), ১২ বছর (পা হারানোর বয়স), ৫০০-৬০০ টাকা (দিনে আয়), ১৫-১৬ দিন (মাসে কাজের দিন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖