📌 কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে আটকা পড়া ইসমাইল হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী মেহেরুন নেছা (৩০) জানালা ভেঙে বের হন। দুজনেই আহত হন, মেহেরুন নেছার হাত কেটে যায়। আগুনে মারা যায় ১০ জনের মধ্যে তাঁদের আত্মীয় ছয়জন
কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগার পর আটকা পড়া এক জোড়া আত্মরক্ষার জন্য জানালা ভেঙে বের হন। ইসমাইল হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী মেহেরুন নেছা (৩০) আগুনে আটকা পড়ার পর একটি জানালা ভেঙে বাইরে বের হন। এতে মেহেরুন নেছার ডান হাত কেটে যায় এবং বাঁ পায়ের মাংসপেশি থেঁতলে যায়। ইসমাইল কোমরে আঘাত পান। দুজনকে ঢাকায় আনা হয় এবং মেহেরুন নেছাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজার টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে আটকা পড়া ইসমাইল হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী মেহেরুন নেছা (৩০) জানালা ভেঙে বের হন।
- 📌 মেহেরুন নেছার ডান হাত কেটে যায় এবং বাঁ পায়ের মাংসপেশি থেঁতলে যায়, ইসমাইল কোমরে আঘাত পান।
- 📌 আগুনে মারা যায় ১০ জনের মধ্যে তাঁদের আত্মীয় ছয়জন, দগ্ধ ছয়জন চিকিৎসাধীন।
- 📌 নিহতদের মধ্যে ফারিহা কবির (৩৩), তাঁর পাঁচ বছর বয়সী সন্তান ফায়িজান আহম্মেদ, ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাসির উদ্দিন (২৫)।
- 📌 ইসমাইল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, স্ত্রী মেহেরুন নেছা প্রিমিয়ার ব্যাংকের কর্মকর্তা।
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগার পর একই পরিবারের ১০ জনের মধ্যে ইসমাইল হোসেন ও তার স্ত্রী মেহেরুন নেছা আত্মরক্ষার জন্য জানালা ভেঙে বের হন। মাইনুল আহসান, মেহেরুন নেছার চাচাতো ভাই, প্রথম আলোকে জানান, বুধবার কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে তাঁরা রিসোর্টে ওঠেন। সকালে আগুন লাগার পর বের হতে পারছিলেন না। ইসমাইল একটি চেয়ার দিয়ে জানালা ভেঙে প্রথমে স্ত্রীকে বাইরে বের করে দেন। পরে নিজেও জানালা দিয়ে লাফ দেন।
মাইনুল বলেন, জানালা দিয়ে বের হওয়ার সময় মেহেরুন নেছার ডান হাত কেটে যায় এবং বাঁ পায়ের মাংসপেশিও থেঁতলে যায়। নিচে লাফিয়ে পড়ার সময় ইসমাইল কোমরে আঘাত পান। কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আনা হয় তাঁদের। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ইসমাইলকে বাসায় পাঠানো হয়েছে। মেহেরুন নেছাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আগুনে দুজনের কেউ দগ্ধ হননি।
আগুনে মারা যায় ১০ জনের মধ্যে ছয়জন তাঁদের আত্মীয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছে ফারিহা কবির (৩৩) ও তাঁর পাঁচ বছর বয়সী সন্তান ফায়িজান আহম্মেদ। এছাড়া নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ফারিহা কবিরের খালাতো ভাই–বোন ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাসির উদ্দিন (২৫)। দগ্ধ ছয়জন চিকিৎসাধীন, তাদের মধ্যে রয়েছেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১) ও তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯)।
"একই পরিবারের ১০ জন গত বুধবার কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন। আজ সকালে রিসোর্টে আগুন লাগার পর তাঁরা বের হতে পারছিলেন না। তখন ইসমাইল একটি চেয়ার দিয়ে রিসোর্টের জানালা ভেঙে প্রথমে স্ত্রীকে বাইরে বের করে দেন। পরে নিজেও জানালা দিয়ে লাফ দেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার টুপটুপ রিসোর্ট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসমাইল হোসেন (৩০), মেহেরুন নেছা (৩০), মাইনুল আহসান, ফারিহা কবির (৩৩), ফায়িজান আহম্মেদ (৫), শিহাব উদ্দীন (৩১), নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন (মারা যাওয়া), ৬ জন (আত্মীয়), ৫ জন (দগ্ধ), ৩০ বছর (ইসমাইল ও মেহেরুন নেছা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!