📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিজয়া দশমীতে কক্সবাজার সৈকতে লাখো পর্যটক ও পূজারীর সমাগম: ৮০ হাজার দর্শনার্থী ইতিমধ্যে সৈকতে

বিজয়া দশমীতে কক্সবাজার সৈকতে লাখো পর্যটক ও পূজারীর সমাগম: ৮০ হাজার দর্শনার্থী ইতিমধ্যে সৈকতে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শারদীয় দুর্গোৎসব ও প্রবারণা পূর্ণিমার ছুটি উপলক্ষে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটক ও পূজারীদের ঢল নেমেছে। হোটেলের ৯০% কক্ষ বুকিং হয়েছে এবং লাবণী পয়েন্টে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি চলছে।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটক ও পূজারীদের বিশাল সমাগম ঘটেছে। শারদীয় দুর্গোৎসব ও প্রবারণা পূর্ণিমার টানা পাঁচ দিনের ছুটি উপলক্ষে সৈকতে পর্যটকের ঢল বেড়েছে। হোটেল ও গেস্টহাউসের ৯০% কক্ষ বুকিং হয়েছে এবং লাবণী পয়েন্টে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সৈকতের তিনটি পয়েন্টে কমপক্ষে ৮০ হাজার পর্যটক উপস্থিত ছিলেন
  • 📌 বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত কক্সবাজারের ২৪৫টি কক্ষবিশিষ্ট পাঁচ তারকা হোটেলের ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে
  • 📌 কক্সবাজার শহর ও আশপাশের ৫০০টি হোটেল-মোটেলে ১ লাখ ৮০ হাজার পর্যটকের রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে
  • 📌 লাবণী পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হবে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন উৎসব, যেখানে পূজারি, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক মিলিয়ে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম আশা করা হচ্ছে
  • 📌 প্রশাসন ও পুলিশ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পর্যটক ও পূজারীদের নিরাপত্তার জন্য

📰 বিস্তারিত

শারদীয় দুর্গোৎসব ও প্রবারণা পূর্ণিমার ছুটি উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকের উপস্থিতি বাড়ছে। হোটেলের মালিক ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসের ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। পাঁচ তারকা হোটেল কক্স টু ডে-এর ২৪৫টি কক্ষের মধ্যে ৯০ শতাংশ বুকিং হয়েছে বলে জানান হোটেলটির জেনারেল ম্যানেজার আবু তালেব শাহ। তিনি বলেন, ‘মূলত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত অতিথির চাপ রয়েছে’।

মাঝারি মানের হোটেল ও গেস্টহাউসেও ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, কক্সবাজার শহর ও আশপাশের প্রায় ৫০০টি হোটেল-মোটেলে ১ লাখ ৮০ হাজার পর্যটকের রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে।

দুর্গাপূজার ছুটি উপলক্ষে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে নেওয়া হয়েছে দেশের প্রতিমা বিসর্জনের সর্ববৃহৎ উৎসবের প্রস্তুতি। কক্সবাজার জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উদয় শংকর পালের মতে, সৈকতের লাবণী পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হবে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন উৎসব। আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রতিমা বিসর্জন দেখতে পূজারি, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক মিলিয়ে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে।

সৈকতে পর্যটকদের সেবায় নিয়োজিত জেলা প্রশাসনের বিচ কর্মীদের সহকারী সুপারভাইজার বেলাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সৈকতের তিনটি পয়েন্টে কমপক্ষে ৮০ হাজার পর্যটক নেমেছেন। বেলাল হোসেন বলেন, বুধবার থেকে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান জানান, ‘পর্যটক ও পূজার্থীদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে’।

"মূলত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত অতিথির চাপ আছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত, লাবণী পয়েন্ট, হিমছড়ি, ইনানী, মেরিন ড্রাইভ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু তালেব শাহ, আবুল কাশেম সিকদার, উদয় শংকর পাল, বেলাল হোসেন, মো. অহিদুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ হাজার (দর্শনার্থী), ২৪৫টি (হোটেল কক্ষ), ৯০% (বুকিং), ১ লাখ ৮০ হাজার (পর্যটক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖