📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভালুকায় কৃষিজমিতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্যোগ এমপির স্ত্রীর, আপত্তি জানানোর ২৭ দিনের মাথায় কৃষি বিভাগের ছাড়পত্র

ভালুকায় কৃষিজমিতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্যোগ এমপির স্ত্রীর, আপত্তি জানানোর ২৭ দিনের মাথায় কৃষি বিভাগের ছাড়পত্র

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের ভালুকায় কৃষিজমিতে ৪৫ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে শুরুতে আপত্তি জানালেও ২৭ দিনের মধ্যে অনাপত্তিপত্র দিয়েছে কৃষি বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন ময়মনসিংহ-১১ আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী ও ভাওয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান তাসলিমা আক্তার।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নে কৃষিজমিতে ৪৫ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুরুতে ওই স্থানকে কৃষিজমি উল্লেখ করে কৃষি বিভাগ আপত্তি জানালেও পরবর্তীতে চাপের মুখে অনাপত্তিপত্র প্রদান করতে বাধ্য হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ময়মনসিংহ-১১ আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার তাঁর প্রতিষ্ঠান ভাওয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের মাধ্যমে এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।
  • 📌 প্রকল্পটির জন্য নন্দীপাড়া ও ঝালপাজা মৌজার ১৭৩ দশমিক ১৩ একর জমি নির্ধারণ করে অনাপত্তিপত্রের জন্য আবেদন করা হয়।
  • 📌 কৃষি বিভাগ শুরুতে আপত্তি দিলেও আবেদনের মাত্র ২৭ দিন পরই ওই জমিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) দেশব্যাপী ১০টি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের দরপত্র আহ্বান করেছে, যার লক্ষ্য ২০২৯ সালের জানুয়ারির মধ্যে উৎপাদনে যাওয়া।

📰 বিস্তারিত

ভালুকায় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য গ্যাটকো এনার্জি লিমিটেড, টিএস ট্রান্সফরমার লিমিটেড ও মীর সিরামিক লিমিটেড নামের আরও তিনটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। তবে তাদের আবেদন যথাযথ না হওয়ায় গত ২ জুলাই এমপিপত্নী তাসলিমা আক্তারের প্রতিষ্ঠানের আবেদনটি বিবেচনায় নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১৬ জুলাই উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জমির প্রকৃতি মূল্যায়নে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের ভালুকা শাখার সদস্যসচিব এবং হবিরবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নন্দীপাড়া ও ঝালপাজা এলাকার জমিতে কৃষকেরা বছরের পর বছর ধরে একাধিক ফসল ফলিয়ে আসছেন এবং নির্ধারিত জমিতে সাধারণ মানুষের বসতবাড়িও রয়েছে। তাসলিমা আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ দাবি করেন, ১৭৩ একর জমির সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ মাত্র এক ফসলি জমি এবং তিনি কর্মকর্তাদের কোনো প্রকার চাপ দেননি।

"আমি কখনো কোনো কৃষি কর্মকর্তা বা অন্য কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়ে ফোনে বা সরাসরি কথা বলিনি। আমার ব্যক্তিগত সহকারী বা অন্য কাউকে দিয়েও চাপ দেওয়ার প্রশ্ন আসে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হবিরবাড়ী ইউনিয়ন, ভালুকা, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাসলিমা আক্তার (চেয়ারম্যান, ভাওয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স) ও ফখর উদ্দিন আহমেদ (এমপি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, ১০টি কেন্দ্র, ২৭ দিন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖