📌 কক্সবাজারের চকরিয়া-বদরখালী-মহেশখালী মহাসড়কের মাতামুহুরী সেতুতে ১১ বছর পরও পুরাতন চার খুঁটি অপসারণ হয়নি। এর ফলে নদীর স্রোত বাধাগ্রস্ত হয়ে সেতুর পূর্ব পাশের মাটি ধসে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং বেড়িবাঁধ ভাঙতে শুরু করেছে। চার উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ও মহেশখালীর গভীর সমুদ্রবন্দরের যানবাহন চলাচল ঝুঁকিতে পড়েছে
কক্সবাজারের চকরিয়া-বদরখালী-মহেশখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের মাতামুহুরী নদীর ওপর নির্মিত বাটাখালী সেতুতে ১১ বছর পরও পুরাতন বেইলি সেতুর চারটি খুঁটি অপসারণ করা হয়নি। এর ফলে নদীর স্রোত বাধাগ্রস্ত হয়ে সেতুর পূর্ব পাশের মাটি ধসে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং বেড়িবাঁধ ভাঙতে শুরু করেছে। চার উপজেলার মানুষের যোগাযোগ এবং মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের যানবাহন চলাচল ঝুঁকিতে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১১ বছর পরও অপসারণ হয়নি পুরাতন চার খুঁটি**: ২০১৫ সালের ২০ আগস্ট সেতু চালু করা হলেও বেইলি সেতুর চারটি পিলার এখনও নদীতে দাঁড়িয়ে আছে।
- 📌 **সেতুর পূর্ব পাশের মাটি ধসে গর্ত**: নদীর স্রোত বাধাগ্রস্ত হয়ে সেতুর সংযোগ সড়কের পূর্ব পাশের মাটি সরে গিয়ে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।
- 📌 **বেড়িবাঁধ ভাঙতে শুরু করেছে**: সেতুর এক পাশের বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা চার উপজেলার মানুষের যোগাযোগকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।
- 📌 **প্রতিদিন ১২ হাজার যানবাহন চলাচল**: বর্তমানে সেতু দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজার যানবাহন চলাচল করছে, যা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
- 📌 **মহেশখালীর গভীর সমুদ্রবন্দর যোগাযোগ ঝুঁকিতে**: সেতুটি মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের যানবাহন চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে মাতামুহুরী নদীর ওপর নির্মিত বাটাখালী সেতুটি চকরিয়া, মাতামুহুরী, পেকুয়া ও মহেশখালী উপজেলার মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। সেতুর পূর্ব পাশে চকরিয়া পৌরসভা এবং পশ্চিম পাশে মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়ন অবস্থিত। সেতুর নিকটবর্তী নদীর মাঝখানে চারটি পুরাতন পিলার এখনও দাঁড়িয়ে আছে, যা নদীর স্রোতকে বাধাগ্রস্ত করে বেড়িবাঁধে আঘাত হানছে। এর ফলে সেতুর সংযোগ সড়কের পূর্ব পাশের মাটি সরে গিয়ে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
১৯৮২ সালে নির্মিত বেইলি সেতুটি ১৯৯৬ সালে এবং ২০০৩ সালে দু’বার ভেঙে পড়ার পর ২০০৬ সালে গার্ডার সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। চট্টগ্রামের ম্যাক মেজবাহ জয়েন্ট ভেঞ্চার নামের একটি প্রতিষ্ঠান সেতুটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে। সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৭০.৭২ মিটার এবং প্রস্থ ১০.৭৫ মিটার, নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ কোটি ৮২ লাখ টাকা। তবে বেইলি সেতুর চারটি পিলার অপসারণ না করেই ২০১৫ সালের ২০ আগস্ট সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
চকরিয়া পৌরসভার বাটাখালী গ্রামের সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘বাটাখালী সেতু মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। সেতুর পূর্ব পাশের সংযোগ সড়কের মাটি সরে যাওয়ার কারণে সেতুটি ঝুঁকিতে রয়েছে।’ সড়ক ও জনপথ বিভাগের চকরিয়া উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী আবু হানিফ জানান, ‘সেতু পরিদর্শন করে মাটি সরে যাওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার বলেন, ‘সেতুর পূর্ব পাশের মাটি সরে যাওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে জানানো হবে।’
"বাটাখালী সেতু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার যোগাযোগের মাধ্যম চকরিয়া-বদরখালী-মহেশখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক। সড়কটির চকরিয়ার অংশে সেতুর পূর্ব পাশে সংযোগ সড়কের মাটি সরে গিয়ে সেতুটি ঝুঁকিতে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চকরিয়া উপজেলা, কক্সবাজার, মাতামুহুরী নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সেলিম উদ্দিন, আবু হানিফ, শাহীন দেলোয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর, ১০ ফুট, ১৭০.৭২ মিটার, ১০.৭৫ মিটার, ১০ কোটি ৮২ লাখ টাকা, ২০ আগস্ট, ১২ হাজার যানবাহন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!