📌 কক্সবাজার শহরে একটি আবাসিক হোটেলের শৌচাগারে এক নারীর গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়। নিহত নারীর নাম কুলছুমা আকতার (২৫)। হত্যাকারী তার আড়াই বছরের শিশুকে বাঁচিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ রহস্য উদ্ঘাটনের কাজে জড়িত
কক্সবাজার শহরে একটি আবাসিক হোটেলের শৌচাগারে এক নারীর ভয়াবহ হত্যার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার রাত আটটার দিকে ‘স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্ট’ হোটেলে ঘটে এই ঘটনা। নিহত নারীর নাম কুলছুমা আকতার (২৫)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সময় তাঁর আড়াই বছরের শিশুও হোটেল কক্ষে ছিলেন। পরে শিশুটিকে পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজার ‘স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্ট’ হোটেলের শৌচাগারে নিহত পাওয়া নারীর নাম কুলছুমা আকতার (২৫)।
- 📌 নিহত নারীর গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। পুলিশ ধারণা, জবাই করে হত্যা করা হয়েছে।
- 📌 হত্যাকারী কুলছুমার আড়াই বছরের শিশুকে বাঁচিয়ে রেখে হোটেল থেকে পালিয়ে যায়।
- 📌 নিহত নারীর স্বামী মো. হারুণ নন। হোটেলে স্বামী পরিচয়ে আসা ব্যক্তির পরিচয় অজানা।
- 📌 হত্যাকারীর পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার পেছনের রহস্য উদ্ঘাটনের কাজ চলছে।
- 📌 হোটেলের দুই কর্মচারীকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
কুলছুমা আকতার ঈদগাঁও উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী মো. হারুণের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলেন। বিচারাধীন ওই মামলার শুনানির দিন ছিল গতকাল। মামলার হাজিরা দিতে কুলছুমা ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার এসেছিলেন। পরে তিনি ওই হোটেলে অবস্থান নেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে এক ব্যক্তির সঙ্গে কুলছুমা হোটেলে আসেন। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ভাড়া নেন। কিন্তু পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত নারীর স্বামী হারুণ নন। হোটেলে স্বামী পরিচয়ে আসা ব্যক্তির পরিচয়ও অজানা।
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার সকাল থেকে কুলছুমা ও তার সঙ্গী বাইরে ছিলেন। বেলা তিনটার দিকে তারা ফিরে আসেন। পরে রাতে শৌচাগারে কুলছুমার রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। হত্যাকারী কৌশলে পালিয়ে যায়। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, হত্যাকারীর পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার পেছনের রহস্য উদ্ঘাটনের কাজ চলছে। এর নেপথ্যে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত নারীর গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকারী কুলছুমার আড়াই বছরের শিশুকে বাঁচিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। শিশুটিকে পরে পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
"নিহত কুলছুমার সঙ্গে কক্ষে থাকা ব্যক্তি তাঁর স্বামী হারুন নন। হোটেল কক্ষে থাকা ব্যক্তির ঠিকানার সঙ্গে নিহত কুলছুমার পরিবারের সদস্যদের চেনাজানা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার, ‘স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্ট’ হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কুলছুমা আকতার (২৫), শেখ মোহাম্মদ আলী (ওসি), মো. হারুণ, হত্যাকারী (অজানা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (কুলছুমার বয়স), ৩০২ নম্বর কক্ষ, আড়াই বছর (শিশুর বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!