📌 চকবাজারে আগুনে মনসুর খান প্লাজার গোডাউন থেকে শুরু করে আরএম প্লাজার পর্যন্ত ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ১ কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পানির সংকটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে বিলম্ব হচ্ছে
পুরান ঢাকার চকবাজারে গত সোমবার রাতে লাগা আগুনে মনসুর খান প্লাজা ও পাশের আরএম প্লাজার গোডাউনগুলোতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আগুনে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এছাড়াও, ১২ থেকে ১৪টি গোডাউনসহ বেশ কয়েকটি দোকানের মালামাল সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ কোটি ১০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে মনসুর খান প্লাজার করিম ব্যাগ হাউস গোডাউনে।
- 📌 ৬০-৭০ জন কর্মী কাজ করতেন আরএম প্লাজার ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায়, যেখানে আগুন লেগেছে।
- 📌 পানির সংকট এবং রাস্তার বন্ধ কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে বিলম্ব হচ্ছে।
- 📌 মনসুর খান প্লাজা থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে পাশের আরএম প্লাজায়।
- 📌 ব্যাগ, পারফিউম, কসমেটিকস ও ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন পণ্যের গোডাউন পুড়ে গেছে।
📰 বিস্তারিত
চকবাজারের মনসুর খান প্লাজার ষষ্ঠ তলায় অবস্থিত করিম ব্যাগ হাউস গোডাউনে আগুন লেগে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি মালামাল পুড়ে গেছে। গোডাউনের স্বত্বাধিকারী আব্দুল করিম জানান, ক্ষতির পরিমাণ এটিই নয়, আরও বেশি হতে পারে। তিনি বলেন, গোডাউনে রাখা ছিল ব্যাগ, পারফিউম ও কসমেটিকসের পণ্য। পাশের আরএম প্লাজার ষষ্ঠ ও সপ্তম তলাও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এসব গোডাউনে কোটি কোটি টাকার মালামাল ছিল বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, মনসুর খান প্লাজাসহ ওই ভবনগুলিতে মোট ১২ থেকে ১৪টি গোডাউন রয়েছে। এর মধ্যে সাত-আটটি দোকানও ছিল। সব মালামাল পুড়ে গেছে। ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, পানির সংকটের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তাপমাত্রাও বেড়ে গেছে। আরএম টাওয়ারের ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
আরএম টাওয়ারের দোকানি নূর মোহাম্মদ নাহিদ বলেন, মনসুর খান প্লাজার গা ঘেঁষে পাশে আরএম টাওয়ারে খেয়া কসমেটিকসের মালামাল রাখা ছিল। ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় আগুন লেগে মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি জানান, এখনো আগুন রয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুন মনসুর খান প্লাজা থেকে ছড়িয়ে পড়েছে আরএম প্লাজায়। মনসুর খান প্লাজায় ব্যাগ ও ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন পণ্যের গোডাউন ছিল, আর আরএম প্লাজায় জুয়েলারি ও ছাতার গোডাউন ছিল বেশি।
মনসুর খান প্লাজার আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকা গোডাউনের মালিক মোহাম্মদ রাজু জানান, আগুন লাগার পর রাস্তা বন্ধ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস দ্রুত চলে এলে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যেত।
"আগুন লাগার পর রাস্তা সরু ও বদ্ধ থাকায় আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত চলে এলে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যেত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চকবাজার, পুরান ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল করিম (স্বত্বাধিকারী), নূর মোহাম্মদ নাহিদ (দোকানি), মোহাম্মদ ফয়সাল (ব্যবসায়ী), মোহাম্মদ রাজু (গোডাউন মালিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ১০ লাখ টাকা (ক্ষতির পরিমাণ), ৬০-৭০ জন (কর্মী), ১২-১৪টি (গোডাউন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!