📌 বাগেরহাটের চিতলমারীতে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের বিরুদ্ধে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করে। স্কুলের ৩ একর ৫৬ শতক জমির মধ্যে ২৩ শতক জমি দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমি রক্ষার দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করে। আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসিনা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের কারণে সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটের চিতলমারীতে স্কুলের জমি রক্ষার দাবিতে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন
- 📌 ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের ৩ একর ৫৬ শতক জমি এসএ রেকর্ডে স্কুলের নামে রয়েছে, কিন্তু ২৩ শতক জমি দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 স্কুলের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেত্রী সুলতানা মল্লিক জমি দখলের পাঁয়তারা করছেন
- 📌 ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর করতে ব্যর্থ
- 📌 চিতলমারী থানার ওসি মো. শহিদুর রহমান জানান, পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে
📰 বিস্তারিত
হাসিনা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে সড়ক অবরোধের পর আন্দোলনকারীরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে মানববন্ধন করেন। পথসভায় বক্তব্য দেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, প্রধান শিক্ষক শৈলেন্দ্র নাথ বাড়ই এবং শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার ও অর্তি মণ্ডল।
প্রধান শিক্ষক শৈলেন্দ্র নাথ বাড়ই জানান, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের ৩ একর ৫৬ শতক জমির পুরোটাই এসএ রেকর্ডে স্কুলের নামে রয়েছে। কিন্তু বিআরএস জরিপের সময় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামনের রাস্তার পাশের দামি ২৩ শতক জমি মল্লিক সিরাজুল হকের নামে রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই জমির দোকান ভাড়ার টাকায় স্কুলের উন্নয়নকাজ চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি স্কুলের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেত্রী সুলতানা মল্লিক জায়গাটি দখলের চেষ্টা করছেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফজলুল হক বলেন, ‘বিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষা ও সংঘাত এড়াতে আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। আদালত ১৪৪ ধারা জারি করলেও স্থানীয় প্রশাসন তা কার্যকর করতে ব্যর্থ। প্রভাবশালী ওই নেত্রী রাতের আঁধারে কাজ করাচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীরা যে কোনো সময় সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।’
অভিযুক্ত সুলতানা মল্লিক সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, ‘জমির রেকর্ড ও দাখিলা সবই আমাদের নামে। হয়রানি করার জন্য এসব করা হচ্ছে। উল্টো তারা আইন অমান্য করে আমাদের চারটি দোকানঘর ভেঙে দিয়েছে।’
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুর রহমান জানান, ‘১৪৪ ধারার নোটিশ জারি করে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
এছাড়াও, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পদে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. কামরুদ্দিন সবুজের নাম প্রস্তাব করে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দিয়েছেন ইউএনও মো. রিদুয়ানুল ইসলাম।
"বিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষা ও সংঘাত এড়াতে আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। আদালত ১৪৪ ধারা জারি করলেও স্থানীয় প্রশাসন তা কার্যকর করতে ব্যর্থ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চিতলমারী, বাগেরহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, প্রধান শিক্ষক শৈলেন্দ্র নাথ বাড়ই, সুলতানা মল্লিক, ওসি মো. শহিদুর রহমান, মো. কামরুদ্দিন সবুজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ একর ৫৬ শতক, ২৩ শতক, ১৪৪ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!