📌 চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে ইঞ্জিন সংকটে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস তিন ঘণ্টা বিলম্বে ছাড়ল। বিক্ষুব্ধ যাত্রীরা স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, সিলেট থেকে আসা ট্রেনের ইঞ্জিন সংযুক্তির কারণে নিয়মিত বিলম্ব ঘটছে
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে ইঞ্জিন সংকটের কারণে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস তিন ঘণ্টা বিলম্বে ছাড়ার পর যাত্রীদের মধ্যে বিক্ষোভ দেখা দেয়। বুধবার সকালে নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের নির্ধারিত সময় ৭টা ৫০ মিনিট, কিন্তু সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ছাড়ল — তিন ঘণ্টা বিলম্ব
- 📌 ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করে; প্ল্যাটফর্মেও বিক্ষোভের ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে
- 📌 ইঞ্জিন সংকটের কারণে সিলেট থেকে আসা ট্রেনের ইঞ্জিন পুনরায় সংযুক্তির জন্য বিলম্ব ঘটে
- 📌 চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, সিলেট থেকে আসা ট্রেন ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে পৌঁছানোর কথা ছিল, কিন্তু দুই ঘণ্টা বিলম্বে পৌঁছায়
- 📌 রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, ইঞ্জিন সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে না পেরে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ট্রেনের ইঞ্জিন খুলে অন্য একটি ট্রেনে সংযুক্ত করার কারণে নির্ধারিত সময়ে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছাড়তে পারেনি। এর ফলে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। প্ল্যাটফর্মেও কিছু যাত্রী বিক্ষোভ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইঞ্জিন সংকটের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রায়ই নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারছে না। সিলেট থেকে আসা ট্রেনের ইঞ্জিন প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে পুনরায় সিলেটগামী ট্রেনে সংযুক্ত করতে হয়। এর ফলে নিয়মিত বিলম্বের ঘটনা ঘটছে।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে। তবে প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বের কারণে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যেতেও দেরি হয়েছে। তিনি জানান, ইঞ্জিন সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
"সিলেট থেকে আসা ট্রেন ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে পৌঁছানোর কথা ছিল, কিন্তু দুই ঘণ্টা বিলম্বে পৌঁছায়। এর ফলে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যেতেও দেরি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম রেলস্টেশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু জাফর মজুমদার (চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০-৮০ জন বিক্ষোভকারী যাত্রী, ৩ ঘণ্টা বিলম্ব, ৭টা ৫০ মিনিট নির্ধারিত সময়, ১০টা ৫০ মিনিটে ছাড়ল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!