📌 চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে ডাকাতরা মারধর ও অপমান করলে তিনি বলেছিলেন, ‘প্রয়োজনে আমাকে বেঁধে রাখুন, কিন্তু অপমান করবেন না’। ডাকাতরা ৪০ হাজার টাকা, সোনার গয়না ও অন্যান্য সম্পদ লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে ডাকাতরা মারধর ও অপমান করার সময় তিনি বলেছিলেন, ‘প্রয়োজনে আমাকে বেঁধে রাখুন, কিন্তু আমাকে অপমান করবেন না’। ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার রাতে। ডাকাতরা কর্মকর্তার বাড়ি থেকে ৪০ হাজার টাকা, ৫ ভরি সোনার গয়না, ৩টি মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য সম্পদ লুট করে নিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. মতিন উল্লাহ (সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার) রাতে ডাকাতদের মারধর ও অপমান করার সময় বলেছিলেন, ‘প্রয়োজনে আমাকে বেঁধে রাখুন, কিন্তু অপমান করবেন না’।
- 📌 ডাকাতরা ৮ থেকে ১০ জন সদস্যের দল হিসেবে আগ্নেয়াস্ত্র ও ছুরি নিয়ে কর্মকর্তার বাড়িতে ঢুকে পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর করে।
- 📌 লুটের সময় ডাকাতরা ৪০ হাজার টাকা, ৫ ভরি সোনার গয়না, ৩টি মোবাইল ফোন, সিসিটিভি মনিটর ও একটি ইউপিএস চুরি করে নিয়ে যায়।
- 📌 ঘটনাস্থলে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং কর্মকর্তা মামলা করার কথা জানিয়েছেন।
- 📌 ঘটনাটি ঘটে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুর গ্রামে।
📰 বিস্তারিত
দিবাগত রাত একটার দিকে ঘুম ভেঙে যায় অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. মতিন উল্লাহর। ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখেন সশস্ত্র ডাকাতদের দল তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়েছে। ডাকাতরা তাঁকে অশালীন ভাষায় গালাগালি ও মারধর শুরু করে। কর্মকর্তা তাঁর পরিবারের সদস্যদের সামনে এমন অপমান সহ্য করতে না পেরে ডাকাতদের বলেন, ‘প্রয়োজনে আমাকে বেঁধে রাখুন, কিন্তু আমাকে অপমান করবেন না’।
ঘটনাটি ঘটে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুর গ্রামে। ডাকাতরা ৮ থেকে ১০ জন সদস্যের দল হিসেবে মুখোশ ও হাফপ্যান্ট পরা অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র ও ছুরি নিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। কর্মকর্তা জানান, তাঁর বাড়িতে তিনি, তাঁর স্ত্রী ও এক মেয়ে ছিলেন। ডাকাতরা তাঁকে একটি কক্ষে বেঁধে রাখে এবং ঘরের অন্যান্য কক্ষগুলোর আলমারি ও আসবাব ভেঙে লুট করে।
মো. মতিন উল্লাহ বলেন, ডাকাতেরা চলে যাওয়ার প্রায় ১০ মিনিট পর তিনি কক্ষ থেকে বের হন। পরে প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে তাঁদের মোবাইল ফোন থেকে পুলিশকে ডাকাতির খবর জানান। তিনি বলেন, ‘ঘরের সদর দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকেই ডাকাত সদস্যরা খুব অশালীন ভাষায় আমাকে গালিগালাজ ও কিলঘুষি মারছিল। এক সময় ডাকাত দলের এক সদস্য জানতে চায়, আমি অবসরে এসে যে টাকা পেয়েছি, সেটি কোথায়। আমি বলেছি, প্রয়োজনে বেঁধে রাখুন, কিন্তু অপমান করবেন না’।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান, গতকাল রাতে ডাকাতির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আজ শনিবার দুপুরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনি থানায় মামলা করবেন।
"ঘরের সদর দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকেই ডাকাত সদস্যরা খুব অশালীন ভাষায় আমাকে গালিগালাজ ও কিলঘুষি মারছিল। এক সময় ডাকাত দলের এক সদস্য জানতে চায়, আমি অবসরে এসে যে টাকা পেয়েছি, সেটি কোথায়। আমি বলেছি, প্রয়োজনে বেঁধে রাখুন, কিন্তু অপমান করবেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মতিন উল্লাহ (সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার), ফরিদা ইয়াসমিন (ওসি, মিরসরাই থানা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮-১০ জন ডাকাত, ৪০ হাজার টাকা, ৫ ভরি সোনার গয়না, ৩টি মোবাইল ফোন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!