📌 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কের ১৭ কোটি টাকার কেবল কারটি দুই বছরের বেশি সময় ধরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ভাঙচুর ও লুটপাটের পর থেকে মেরামতের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, অর্থ বরাদ্দও পায়নি বন বিভাগ
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কের ১৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকার কেবল কারটি দুই বছরের বেশি সময় ধরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সরকারি কেবল কার হিসেবে পরিচিত এই প্রকল্পটি ২০২৪ সালের আগস্টে ভাঙচুর ও লুটপাটের পর থেকে বন্ধ রয়েছে। মেরামতের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি এবং অর্থ বরাদ্দও পায়নি বন বিভাগ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া পার্কের ১৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকার কেবল কারটি দুই বছরের বেশি সময় ধরে ধ্বংসস্তূপে রয়েছে
- 📌 ভাঙচুর ও লুটপাটের পর থেকে মেরামতের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, অর্থ বরাদ্দও পায়নি বন বিভাগ
- 📌 প্রথম স্টেশনের অভ্যর্থনাকক্ষ, টিকিট কাউন্টার, নিয়ন্ত্রণকক্ষ, শৌচাগার ও জেনারেটর কক্ষসহ সাতটি কেবিন ধ্বংসপ্রাপ্ত
- 📌 দ্বিতীয় স্টেশনে পাঁচটি কেবিন পড়ে আছে, নিয়ন্ত্রণকক্ষের দুটি ভারী যন্ত্রও ব্যবহারের উপযোগী নয়
- 📌 কেবল কারের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা, পুরো পার্কের ক্ষতি ৫ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কের কেবল কারটি ছিল দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সরকারি কেবল কার। পার্কের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত এই কেবল কার নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। কেবল কারটি প্রথম স্টেশন থেকে পাহাড়ি পথে প্রায় ২ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে চলত। পথের কিছু অংশ মাটি থেকে প্রায় ১০০ ফুট উঁচুতে ছিল।
২০২৪ সালের ৫ থেকে ৭ আগস্টের মধ্যে পার্কে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। ট্রাকে করে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়া হয়। লুটপাটকারীরা ভারী যন্ত্রপাতি ও কেবিন নিয়ে যেতে পারেনি, তাই সেগুলো ভাঙচুর করে ফেলে রাখা হয়। বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো জানান, কেবল কার মেরামত অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করতে প্রথমে বিদেশ থেকে অভিজ্ঞ কারিগরি দল আনতে হবে এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানি করতে হবে। কিন্তু অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সেই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে না।
২০২৪ সালের আগস্টে তৎকালীন শেখ রাসেল এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কে ভাঙচুর ও লুটপাটের ফলে অফিস, স্টোররুম, নিয়ন্ত্রণকক্ষ, কটেজ, রেস্তোরাঁ ও পাখির আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথম স্টেশনের ক্ষতি ধরা হয় প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় স্টেশনের ক্ষতি হয় আরও ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। পুরো পার্কের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ধরা হয় ৫ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
"কেবল কার মেরামত অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করতে প্রথমে বিদেশ থেকে অভিজ্ঞ কারিগরি দল আনতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানি করতে হবে; কিন্তু অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সেই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাঙ্গুনিয়া এভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্ক, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিহির কুমার দো (বন সংরক্ষক, চট্টগ্রাম অঞ্চল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা (কেবল কার নির্মাণ ব্যয়), ৫ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা (পুরো পার্কের ক্ষতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!