📌 চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় কাঁচা সড়ক বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের চলাচলকে অসম্ভব করে তুলেছে। এলাকাবাসীরা ব্রিক সলিংয়ের দাবি জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের উত্তর আমিরাবাদ ঘোনাপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা সড়ক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদা-পানিতে ডুবে যায়, যা স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা যাতায়াতকে ব্যাহত করে। এলাকাবাসীরা ব্রিক সলিংয়ের মাধ্যমে সড়ক উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে টংকাবতী লোহার ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থায় রয়েছে
- 📌 বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পর সড়কটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়, শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের চলাচল অসম্ভব করে তুলে
- 📌 স্থানীয় শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ যাতায়াতে অসুবিধা ভোগ করছেন, অনেক সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয় না
- 📌 এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা ব্রিক সলিংয়ের মাধ্যমে সড়ক উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন
- 📌 আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাস্টার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, সড়ক সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন
- 📌 উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ জানান, সরেজমিন পরিদর্শন করে সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের উত্তর আমিরাবাদ ঘোনাপাড়া এলাকায় অবস্থিত টংকাবতী (লোহার ব্রিজ) সংলগ্ন এলাকা থেকে উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়, যা শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলকে অসম্ভব করে তুলে। বিকল্প পথ না থাকায় শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাদা মাড়িয়েই চলাচল করতে হয়।
আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের এই এলাকায় অবস্থিত উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চ বিদ্যালয়, বার আউলিয়া ডিগ্রি কলেজ ও ঘোনাপাড়া শাহ মজিদিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা দৈনিক এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। বর্ষাকালে সড়কটি কাদা-পানিতে ডুবে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজ যাতায়াতে চরম অসুবিধা হয়। অনেক সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকাও সম্ভব হয় না।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেছেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় হাঁটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যায়। এই কাঁচা সড়ক দিয়ে কৃষকেরা হাট-বাজারে তাদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে যান। ফলে তারাও সমস্যায় পড়েন।’ উত্তর আমিরাবাদ ঘোনাপাড়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল আমিন জানান, ‘আমাদের এলাকার ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যাতায়াতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। দ্রুত কাঁচা রাস্তাটি পাকা করা হলে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।’
এলাকাবাসী মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা এই কাঁচা সড়ক দিয়েই চলাচল করি। বর্ষাকালে কাদায় পিছলে পড়ে শিক্ষার্থীদের কাপড়-চোপড় নষ্ট হয়। তাই সড়কটি দ্রুত উন্নয়নের জন্য সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’
আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাস্টার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ‘রাস্তাটি পাকা না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটাতে দ্রুত রাস্তাটি পাকা করা প্রয়োজন। ইউনিয়ন পরিষদে এ কাজের জন্য বরাদ্দ নেই। সড়কটি পাকা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ জানান, ‘বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জেনেছি। সরেজমিনে পরিদর্শন করে সড়কটি পাকাকরণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
"সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় হাঁটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যায়। এই কাঁচা সড়ক দিয়ে কৃষকেরা হাট-বাজারে তাদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে যান। ফলে তারাও সমস্যায় পড়েন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা, আমিরাবাদ ইউনিয়ন, উত্তর আমিরাবাদ ঘোনাপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুর রহমান, মাওলানা নুরুল আমিন, মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, মো. সেলিম উদ্দিন, মাস্টার মো. জাহাঙ্গীর আলম, কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!