📌 চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় দুই পক্ষের গোলাগুলি ও সংঘর্ষে যুবদল কর্মী মুরাদসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসার বিরোধে সংঘাতের জেরে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা দাবি করে, ঘটনায় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা গেছে
চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে যুবদল কর্মী মুরাদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৮ জনের গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মাদক ব্যবসার বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষে মুরাদসহ ১৮ জন গ্রেপ্তার
- 📌 যুবদল কর্মী মুরাদ (৪৩) ও দুই সহযোগী মো. সুমন (৩৫) ও রুহুল আমিন (৩৭) গ্রেপ্তার
- 📌 মুরাদের বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা রয়েছে, তিনি চান্দগাঁও থানার যুবদলের সদস্য
- 📌 সংঘর্ষে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, সিএনজি ভাঙচুর ও বিস্ফোরণ শব্দ শোনা গেছে
- 📌 মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত, উভয় পক্ষের আহত হওয়ার সম্ভাবনা
- 📌 কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের ছাত্রদল সভাপতি জিন্নাহর বিরুদ্ধে পিস্তল দেখিয়ে শিক্ষিকাকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় রোববার রাত ১১টায় সৈয়দ শাহ রোডের মোরশেদ টাওয়ারের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মুরাদ ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত জসিমের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত। সংঘর্ষে উভয় পক্ষই লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে। পরে ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শুনেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে সড়কের ওপর দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে, যেখানে বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়।
নগর পুলিশের মুখপাত্র আমিনুর রশিদ বুধবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, মুরাদ চান্দগাঁও থানার যুবদলের সদস্য। তিনি ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে দায়ের করা মামলায় জড়িত। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মুরাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন থানায় ১৬টি মামলা রয়েছে। ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ১৮ জনের মধ্যে মুরাদসহ তিনজনকে নতুন করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়াও, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক স্কুলশিক্ষিকাকে পিস্তল দেখিয়ে জোরপূর্বক সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এই ঘটনায় ওই শিক্ষিকা রাতেই কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ছাত্রদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
"মুরাদ ও মাদক ব্যবসায়ী জসিমের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। উভয় পক্ষই লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে। ঘটনায় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকা, কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুরাদ (৪৩), মো. সুমন (৩৫), রুহুল আমিন (৩৭), আমিনুর রশিদ, দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ জন গ্রেপ্তার, ১৬টি মামলা, ১১ টা রাত, ১৫ জন পূর্বে গ্রেপ্তার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!