📌 চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে ৪০ বছরের বাসস্থান উচ্ছেদের আশঙ্কায় ৪০০ পরিবার সরকারের দাবি জানায় পুনর্বাসন। বিক্ষোভে ভূমিহীনদের পাশাপাশি শিশুও অংশ নেয়। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও সড়ক বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে আশঙ্কা প্রকাশিত হয়
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে বসবাসরত ৪০০ পরিবার উচ্ছেদের আশঙ্কায় সরকারের কাছে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে। সড়ক নির্মাণের জন্য উচ্ছেদের সম্ভাবনা ঘিরে বৃহস্পতিবার বিকেলে বৈরাগ ইউনিয়নের মেরিন একাডেমি থেকে শাহাদাত নগর এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগীরা পুনর্বাসন ও আশ্রয় রক্ষার দাবি তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৪০০ পরিবার ৪০ বছরের বাসস্থান উচ্ছেদের আশঙ্কায় বিক্ষোভ করে পুনর্বাসনের দাবি জানায়
- 📌 সড়ক ও জনপথ বিভাগের পূর্বের উচ্ছেদ অভিযানে ২৯ ফিট জমি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়েও পুনর্বাসন না পাওয়ায় পরিবাররা বিপদে পড়েছে
- 📌 বিক্ষোভে ভূমিহীনদের পাশাপাশি শিশুও অংশ নেয়; বক্তব্য দেন বখতিয়ার খান, কুলসুমা বেগমসহ ১৫ জনের মতো ভুক্তভোগী
- 📌 স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ভূমিহীনদের উচ্ছেদের পিছনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ
- 📌 চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী বর্ণ হক বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে
- 📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগে সোনাহাট সেতু ও নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ১৩৬ কোটি টাকার প্রকল্প ঝুঁকিতে পড়তে পারে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে বসবাসরত ৪০০ পরিবার সড়ক নির্মাণের জন্য উচ্ছেদের আশঙ্কায় কেঁপে উঠেছে। এই পরিবারগুলো ভূমিহীন হলেও এখানে তাদের পরিবার, হাসি-কান্না ও ভালোবাসার গল্প গড়ে উঠেছে। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী বাসিন্দা বখতিয়ার খান, মোহাম্মদ হান্নান, মোহাম্মদ মিরাজ, সাগর, বাপ্পু, বাদশা, নাদির, ইউনুচ, সিদ্দিকা, সিরাজ, জালাল, আকতার উদ্দিন, আশরাফ উদ্দিন, ইদ্রিস, আফজাল, জাহাঙ্গীর আলম, এয়াকুব ও মাসুদ। বিক্ষোভে ভূমিহীন নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশুরাও অংশ নেয়।
ভুক্তভোগী বাসিন্দা বখতিয়ার খান বলেন, ‘দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে আমাদের পরিবার এখানে বাস করছে। এর আগেও সড়ক নির্মাণের জন্য আমাদের ঘরবাড়িতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সড়কের জন্যও আমরা স্বেচ্ছায় ২৯ ফিট জমি ছেড়ে দিই। এরপর নতুন আতঙ্ক প্রভাবশালী মহলের। গত দুই দিন আগে সীমানা পিলারের খুঁটি বসিয়ে যায় আমাদের বসতঘরের মধ্যে। এখন মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয় রক্ষায় সরকার ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহায়তা কামনা করছি আমরা।’
ভুক্তভোগী নারী কুলসুমা বেগম বলেন, ‘আমরা ভূমিহীনরা এখানে ঘর নির্মাণ করে স্বামী-সন্তান নিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে থাকছি। আমাদের পুনর্বাসন করুন, আমাদের থাকার জায়গা দিন। সামনে শীতের মধ্যে আমরা কীভাবে রাত্রিযাপন করব? এই জায়গা ছাড়া আমাদের কোথাও থাকার মতো জায়গা নেই।’
চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী বর্ণ হক জানান, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’ অন্যদিকে, কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এতে ১৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সোনাহাট সেতু ও নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
"দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে আমাদের পরিবার এখানে বাস করছে। সড়কের জন্যও আমরা স্বেচ্ছায় ২৯ ফিট জমি ছেড়ে দিই। এখন মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয় রক্ষায় সরকারের সহায়তা কামনা করছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আনোয়ারা, চট্টগ্রাম (বৈরাগ ইউনিয়ন, শাহাদাত নগর এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বখতিয়ার খান, কুলসুমা বেগম, প্রকৌশলী বর্ণ হক, ১৫ জন ভুক্তভোগী বাসিন্দা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ পরিবার, ৪০ বছর, ২৯ ফিট জমি, ১৩৬ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!