📌 চাটমোহর উপজেলা প্রশাসন মহসীন আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১৪ বস্তা অবৈধ সার জব্দ করেছে। ৮৪ বস্তা ডিএপি ও ৩০ বস্তা এমওপি সার জব্দের পর তা স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়। জব্দকৃত সারের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে
চাটমোহর উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ১১৪ বস্তা সার জব্দের ঘটনা ঘটেছে। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার সার ডিলার মহসীন আলী চাটমোহরের নিজ বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছিলেন। উপজেলা প্রশাসনের অভিযানেই এই সার জব্দ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাটমোহর উপজেলা প্রশাসন মহসীন আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১৪ বস্তা সার জব্দ করেছে।
- 📌 জব্দকৃত সার মধ্যে ৮৪ বস্তা ডিএপি ও ৩০ বস্তা এমওপি ছিল।
- 📌 জব্দকৃত সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে ১ লাখ ১৮ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল।
- 📌 উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ অভিযান পরিচালনা করেন।
- 📌 জব্দকৃত সারের টাকা ব্যাংক খুললে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বৃ-রায়নগর গ্রামে মহসীন আলীর বাড়িতে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে অভিযান চালানো হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদের নেতৃত্বে অভিযান দল মহসীন আলীর বাড়িতে মজুত করা সার জব্দ করে। মহসীন আলী সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় সার বিক্রির ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। তবে তার বাড়ি চাটমোহরে অবস্থিত।
জব্দকৃত সার মধ্যে ৮৪ বস্তা ডিএপি ও ৩০ বস্তা এমওপি ছিল। এই সারগুলি স্থানীয় কৃষকদের কাছে ১ লাখ ১৮ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল। অভিযানকালীন উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শৈয়ব রহমান, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সাঈদ।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ জানান, অভিযান চালিয়ে মজুত করা সার জব্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, জব্দকৃত সারের টাকা ব্যাংক খুললে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
"অভিযান চালিয়ে মজুত করা ১১৪ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। বিক্রীত সারের টাকা ব্যাংক খুললে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাটমোহর উপজেলা, পাবনা, বৃ-রায়নগর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়সাল মাহমুদ (উপজেলা সহকারী কমিশনার), মহসীন আলী (সার ডিলার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৪ বস্তা সার, ৮৪ বস্তা ডিএপি, ৩০ বস্তা এমওপি, ১ লাখ ১৮ হাজার ২০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!