📌 চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচা থানায় গরু ব্যবসায়ী আবুল বাশারের হত্যার মামলায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার করা হয়। স্ত্রী সালমা বেগম অসুস্থে চিকিৎসাধীন থাকায় পুলিশ হেফাজতে রেখে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা চলছে। মামলায় অভিযোগ রয়েছে, নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে হত্যা করা হয়
চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচা থানায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর গরু ব্যবসায়ী আবুল বাশারের হত্যার মামলায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আসামি সাইদুল ইসলাম জমাদারকে আদালতে পাঠানো হলেও তার স্ত্রী সালমা বেগম অসুস্থ হওয়ায় চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত মরদেহের অবস্থা থেকে পুলিশ হত্যার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৬ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে গরু ব্যবসায়ী আবুল বাশারকে হত্যা করা হয়।
- 📌 হত্যার পর মরদেহ বাড়ির পুকুরে ডুবিয়ে রাখা হয়, পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ উদ্ধার করে।
- 📌 আসামি সাইদুল ইসলাম জমাদার আদালতে পাঠানো হলেও স্ত্রী সালমা বেগম অসুস্থে চিকিৎসাধীন।
- 📌 নিহতের বাবা আবুল কাশেম ২৭ সেপ্টেম্বর মামলা করেন। নিহতের ছোট ভাই ইব্রাহিম অভিযোগ করেন, হত্যা করা হয়েছিল মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করার প্রতিশোধ নিতে।
- 📌 দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে গত ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টায় গরু ব্যবসায়ী আবুল বাশারের হত্যা ঘটে। স্থানীয় বাবুর হাট বাজারের বাশারকে সালমা বেগম মোবাইল ফোনে ডাকেন। পরে সালমা ও তার স্বামী সাইদুল ইসলাম জমাদার মিলে শরবতের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তাকে খাওয়ানোর পর হত্যা করেন। হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বাড়ির পুকুরে খুঁটি গেড়ে ডুবিয়ে রাখা হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে গলা ও পেট কাটা অবস্থায় বাশারের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের বাবা আবুল কাশেম ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে দক্ষিণ আইচা থানায় মামলা করেন। নিহতের ছোট ভাই ইব্রাহিম অভিযোগ করেন, সালমা ও সাইদুল অত্যন্ত দুর্বৃত্তপরায়ণ। জুয়েল নামে এক ব্যক্তির কাছে লগ্নি বাবদ পাওনা টাকা আদায়ের জন্য তাদের একটি মামলা চলছিল। ওই মামলায় জুয়েলকে ঘায়েল করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে পুনরায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়। ওই মামলায় সাক্ষী হিসেবে বাশারের নাম রাখা হয়েছিল। কিন্তু বাশার মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী মিলে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামি সাইদুল ইসলাম জমাদারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে তার স্ত্রী সালমা বেগম শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় তিনি পুলিশ হেফাজতে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
"আসামি সাইদুল ইসলাম জমাদারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে তার স্ত্রী সালমা বেগম অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চরফ্যাশন উপজেলা, দক্ষিণ আইচা থানা, নজরুল নগর ইউনিয়ন (৩ নম্বর ওয়ার্ড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল বাশার (নিহত), সালমা বেগম ও সাইদুল ইসলাম জমাদার (গ্রেপ্তার), আবুল কাশেম (বাবা), ইব্রাহিম (ভাই), আহসান কবির (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ সেপ্টেম্বর (হত্যা), ৩ নম্বর ওয়ার্ড (ওয়ার্ড নম্বর), ১১ টা (হত্যার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!