📌 চরফ্যাশন-ঢাকা নৌরুটে রোটেশন পদ্ধতির কারণে যাত্রীদের কেবিন ও আসন সংকট দেখা দিচ্ছে। যাত্রীরা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ২ থেকে ৩ গুণ বেশি টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। রোগীদের জন্য বিশেষভাবে বিপদজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে
চরফ্যাশন-ঢাকা নৌরুটে রোটেশন পদ্ধতির কারণে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। লঞ্চ চলাচলের এই পদ্ধতির কারণে কেবিন ও ডেকের আসন সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যাত্রীরা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেশি টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশেষ করে মুমূর্ষু রোগীদের জন্য এই অবস্থা আরও বিপদজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চরফ্যাশন-ঢাকা নৌরুটে রোটেশন পদ্ধতির কারণে প্রতিদিন সব লঞ্চ চলাচল না করায় কেবিন ও আসন সংকট সৃষ্টি হয়েছে
- 📌 যাত্রীদের অভিযোগ, কেবিন পেতে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে ফোন করাতে হয় এবং নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ২০০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাবি করা হয়
- 📌 পূজার ছুটিতে একটি সিঙ্গেল কেবিনের জন্য ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন যাত্রী মো. আলমাস
- 📌 চরফ্যাশন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন মিয়া বলেছেন, মুমূর্ষু রোগীদের জন্য লঞ্চে আসন না পাওয়ায় ডেকে গাদাগাদি করে যাতায়াত করতে হয়
- 📌 রোটেশন পদ্ধতি বন্ধ ও যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে
- 📌 চরফ্যাশন বেতুয়া নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক পুতুল চন্দ্র রায় বলেছেন, লঞ্চ মালিকেরা রোটেশন পদ্ধতিতে প্রতিদিন দুটি লঞ্চ পরিচালনা করছেন, যা যাত্রীদের জন্য দুর্দশার কারণ
📰 বিস্তারিত
চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া-ঢাকা নৌপথে লঞ্চ চলাচলের রোটেশন পদ্ধতির কারণে যাত্রীদের দুর্দশা বাড়ছে। এই পদ্ধতির কারণে প্রতিদিন সব লঞ্চ চলাচল না করায় কেবিন ও ডেকের আসন সংকট সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ছুটির দিনে এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতের সময় এই সংকট আরও বেড়ে যায়।
যাত্রীদের অভিযোগ, কেবিন ও টিকিটের সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু কর্মচারী ও দালাল নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা দাবি করছেন। যাত্রীদেরকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। অন্যথায় কেবিন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। কোথাও কোথাও যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে।
যাত্রী মো. আলমাস বলেছেন, পূজার ছুটিতে ঢাকা থেকে চরফ্যাশনে আসার সময় একটি সিঙ্গেল কেবিনের জন্য ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে। কেবিন পেতে একজন ভিআইপি ব্যক্তিকে দিয়ে ফোন করাতে হয়েছে। সাধারণভাবে কেবিন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
চরফ্যাশন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন মিয়া বলেছেন, এই এলাকা থেকে প্রতিদিন অনেক মুমূর্ষু রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যান। কিন্তু লঞ্চে কেবিন বা পর্যাপ্ত জায়গা না পাওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনদের দীর্ঘ সময় ঘাটে অপেক্ষা করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে ডেকে গাদাগাদি করে যাতায়াত করতে হয়, যা অসুস্থ রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
"রোটেশন প্রথার কারণে যাত্রীসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। জনস্বার্থের পরিবর্তে মালিকপক্ষের বাণিজ্যিক স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণেই সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চরফ্যাশন উপজেলা, বেতুয়া-ঢাকা নৌপথ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলমাস, মো. কামাল হোসেন মিয়া, পুতুল চন্দ্র রায়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০০ টাকা, ৫ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!