📌 সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার ৮টি চরাঞ্চলবেষ্টিত ইউনিয়নে নদীভাঙন ও দারিদ্র্যের মুখোমুখি হয়ে নারীরা প্রশিক্ষণ ও ভেড়া-শাকসবজি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে ভেড়া ও সার-বীজ বিতরণের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নত হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার চরাঞ্চলে প্রকৃতির বিপরীতে লড়াই করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন নারীরা। এই অঞ্চলের আটটি ইউনিয়ন নদীভাঙন ও বন্যার শিকার হয়ে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষের বসবাসে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে প্রশিক্ষণ ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন চরাঞ্চলবেষ্টিত, যেখানে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ বাস করে
- 📌 প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে ৭২০টি ভেড়া বিতরণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন
- 📌 নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের মমতা খাতুনের ৩টি ভেড়া থেকে বেড়ে ৭টি হয়েছে, পাশাপাশি শাকসবজি চাষ করছেন
- 📌 নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের ফেরদৌসী খাতুনের ৯টি ভেড়া রয়েছে, যার বিক্রি থেকে পরিবারের আর্থিক অবস্থা উন্নত হয়েছে
- 📌 খাসরাজবাড়ী ইউনিয়নের বুলবুলি বেগম শাকসবজি বিক্রি করে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করেছেন
- 📌 কাজীপুর উপজেলায় বর্তমানে ৯ হাজার ৪২০টি ভেড়া চরাঞ্চলে পালন করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
উত্তরাঞ্চলের ৮৬টি সুবিধাবঞ্চিত এলাকার মধ্যে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার আটটি ইউনিয়ন চরাঞ্চলবেষ্টিত। এই অঞ্চলে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ বাস করে, যারা নদীভাঙন, বন্যা ও দারিদ্র্যের সঙ্গে প্রতিদিন লড়াই করে। তবে প্রকল্পের আওতায় নারীরা নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করছেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি জানাতে গিয়ে নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের গোয়াল বাতান চরের মমতা খাতুন বলেন, ‘আগে অবহেলিত ছিলাম। ভেড়া পেয়ে এখন স্বাবলম্বী হওয়ার পথে। তিনটি ভেড়া দিয়ে শুরু করে বর্তমানে সাতটি ভেড়া হয়েছে। পাশাপাশি শাকসবজি চাষ করি। নিজেরা খাওয়ার পর বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করি।’
নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের উত্তর রেহাইশুড়িবেড় গ্রামের ফেরদৌসী খাতুন জানান, একসময় পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ ছিল। ভেড়া পাওয়ার পর বর্তমানে তার নয়টি ভেড়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিক্রি করে পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরেছে।
খাসরাজবাড়ী ইউনিয়নের গোদারেবাগ চরের বুলবুলি বেগম বলেন, ‘প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর বসতবাড়িতে আধুনিক পদ্ধতিতে শাকসবজি উৎপাদন করছি। এ বছর সবজি বিক্রি করে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা পেয়েছি। সংসারের জন্য এই আয় বেশ উপকারী হয়েছে।’
"আগে অবহেলিত ছিলাম। ভেড়া পেয়ে এখন স্বাবলম্বী হওয়ার পথে। তিনটি ভেড়া দিয়ে শুরু করে বর্তমানে সাতটি ভেড়া হয়েছে। পাশাপাশি শাকসবজি চাষ করি। নিজেরা খাওয়ার পর বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করি।"
"প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর বসতবাড়িতে আধুনিক পদ্ধতিতে শাকসবজি উৎপাদন করছি। এ বছর সবজি বিক্রি করে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা পেয়েছি। সংসারের জন্য এই আয় বেশ উপকারী হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাজীপুর উপজেলা, সিরাজগঞ্জ (নিশ্চিন্তপুর, নাটুয়ারপাড়া, খাসরাজবাড়ী ইউনিয়ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমতা খাতুন, ফেরদৌসী খাতুন, বুলবুলি বেগম, নন্দ দুলাল টিকাদার, কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম, ডা. দিদারুল আহসান, ডা. এ কে এম আনোয়ারুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি ইউনিয়ন, ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ, ৮৬টি এলাকা, ৬ অক্টোবর, ৭২০টি ভেড়া, ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা, ৯ হাজার ৪২০টি ভেড়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!