📌 চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মিরপুর-সাহাপুর সড়ক নির্মাণের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলেও নির্মাণের কয়েক মাসের মধ্যেই ধসের ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়রা নির্মাণের মান ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মিরপুর-সাহাপুর সড়ক নির্মাণের কোটি টাকা বিনিয়োগের পরেও নির্মাণের কয়েক মাসের মধ্যেই ধসের ঝুঁকিতে পড়েছে। সড়কের একাধিক স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে এবং নিচের মাটি সরে পাশের মাছের ঘেরে পড়ার কারণে সড়কের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সড়কের বড় অংশ ধসে যেতে পারে এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁদপুরের মিরপুর-সাহাপুর সড়ক নির্মাণের ১ কোটি ৯৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলেও নির্মাণের কয়েক মাসের মধ্যেই ধসের ঝুঁকিতে পড়েছে
- 📌 সড়কের ভাঙা অংশ দিয়ে নিচের মাটি সরে পাশের মাছের ঘেরে পড়ার কারণে সড়কের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা নির্মাণের মান ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন
- 📌 নির্মাণকাজে ব্যবহৃত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী এবং বর্ষা মৌসুমে পানির ওপর দিয়েই কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে
- 📌 ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মতলব ট্রেডিং অ্যান্ড আর.কে এন্টারপ্রাইজ’ নির্মাণের সময় গাইডওয়াল নির্মাণের দাবি জানিয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি
- 📌 ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল কাদের বলেছেন, মৎস্য প্রজেক্টগুলোর কারণে রাস্তা দ্রুত ধসে পড়েছে এবং প্রটেক্ট ওয়াল নির্মাণ ছাড়া রাস্তা টেকানো মুশকিল
📰 বিস্তারিত
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মিরপুর-সাহাপুর সড়ক নির্মাণের পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা অবহেলার অভিযোগ তুলে চলেছেন। সড়কের একাধিক স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে এবং নিচের মাটি সরে পাশের মাছের ঘেরে পড়ার কারণে সড়কের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন, ভাঙন অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা রিয়াদ বলেছেন, ‘এই এলাকার মানুষ বরাবরই অবহেলিত। রাস্তা নির্মাণের সময় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। পরে কিছুদিন যেতে না যেতেই রাস্তা ভাঙতে শুরু করেছে। টেকসইভাবে কাজ না হলে জনগণের দুর্ভোগ থেকেই যাবে।’ স্থানীয় বাসিন্দারা নির্মাণের মান ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দ্রুত ভাঙন ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সড়কটি দ্রুত পরিদর্শন করে ভাঙনের কারণ নির্ধারণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রতিরোধক দেয়াল নির্মাণ ও টেকসইভাবে সংস্কার করতে হবে।
১২৫৮ মিটার দীর্ঘ সড়কটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৯৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। কোভিড প্রকল্পের আওতায় সড়কটির নির্মাণকাজ করে ‘মতলব ট্রেডিং অ্যান্ড আর.কে এন্টারপ্রাইজ’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নির্মাণের সময় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি পৌর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, গাইডওয়াল না করলে রাস্তা টিকবে না। তবে পৌর কর্তৃপক্ষ গাইডওয়াল নির্মাণ করেনি।
"আমি কাজ করার সময়ই পৌর কর্তৃপক্ষকে বলেছিলাম, এখানে গাইডওয়াল ধরা নেই। গাইডওয়াল না করলে রাস্তা টিকবে না। পৌর কর্তৃপক্ষ গাইডওয়াল না করায় রাস্তা ভেঙে পড়েছে। এখন যদি প্লাসেটিং করে দেওয়া হয়, তাহলে আমি মেরামত করে দেব।"
ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল কাদের বলেছেন, ‘মৎস্য প্রজেক্টগুলোর কারণে রাস্তা দ্রুত ধসে পড়েছে। আমরা পৌরসভা থেকে আপাতত বাঁশ দিয়ে প্লাসেটিং করে দেব। তবে প্রটেক্ট ওয়াল নির্মাণ ছাড়া এই অংশে রাস্তা টেকানো মুশকিল।’ এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া বলেছেন, ‘কাজটির ইস্টিমেট করার সময় যারা দায়িত্বে ছিলেন, তারা ত্রুটি করেছেন। তাছাড়া মৎস্য প্রজেক্টগুলো এই অংশে প্রটেক্ট দেয়াল নির্মাণ করেনি। আমরা এখন রাস্তা টেকানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ওই অংশটি আমি পরিদর্শন করেছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মিরপুর-সাহাপুর সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিয়াদ, মো. আব্দুল কাদের, সেটু কুমার বড়ুয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ৯৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা, ১২৫৮ মিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!