📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১৯ বছর বয়সী জুয়েল রানা টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ২০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুজন গুলিবিদ্ধ ও পাঁচজন ককটেল বিস্ফোরণে আহত। দীর্ঘদিনের আধিপত্য দ্বন্দ্বের জেরে ঘটনাটি ঘটে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার শান্তিপুর গ্রামে সোমবার ভোরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ১৯ বছর বয়সী জুয়েল রানা নিহত হন। ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুজন গুলিবিদ্ধ ও পাঁচজন ককটেল বিস্ফোরণে আহত। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বের জেরে এই সংঘর্ষ ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ বছর বয়সী জুয়েল রানা (নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাসিন্দা) টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত হন, লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
- 📌 সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন ফারুক মিয়া ও সোহেল মিয়া, ককটেল বিস্ফোরণে আহত হন শাহ পরান, খোকন মিয়া ও ফজর আলী
- 📌 বকুল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, হাবি মিয়া, সুমন মিয়া, আলমগীর হোসেন ও স্বাধীন টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আহত হন, স্বাধীনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
- 📌 ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুকসহ পাঁচটি গুলি ও পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ
- 📌 শেবু সরকার বাড়ি ও আজগর আলী সরকার বাড়ির মধ্যে ১০০ বছরেরও বেশি পুরনো বিরোধের জেরে সংঘর্ষ ঘটে
📰 বিস্তারিত
সোমবার ভোরে শান্তিপুর গ্রামে শেবু সরকার বাড়ির লোকজন আজগর আলী সরকার বাড়ির লোকদের ওপর হামলা চালায়। শেবু সরকার বাড়ির নাতি মোক্তার হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক বন্দুক, রামদা, ছুরি, টেঁটা, বল্লম ও এককাইট্টা নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। প্রতিপক্ষের লোকজনও পাল্টা হামলা চালায়। সংঘর্ষের সময় ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত জুয়েল রানা (১৯) নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের সেন্টু মিয়ার ছেলে। তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জুয়েল রানাকে মৃত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। তাঁর পেটে ও পায়ে তিনটি টেঁটা বিদ্ধ হয়। বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রঞ্জন বর্মন জানান, জুয়েল রানাকে মৃত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়।
শেবু সরকার বাড়ির লোকজন দাবি করেন, জুয়েল রানা আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন ফারুক মিয়া ও সোহেল মিয়া। ককটেল বিস্ফোরণে আহত হন শাহ পরান, খোকন মিয়া ও ফজর আলী। এ ছাড়া বকুল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, হাবি মিয়া, সুমন মিয়া, আলমগীর হোসেন ও স্বাধীন টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আহত হন। স্বাধীনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
"মুক্তার হোসেনের নেতৃত্বে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ডাকাতেরা ককটেল বিস্ফোরণসহ রাইফেল ও বন্দুক নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। পরে গ্রামের লোকজন তাদের ঘেরাও করে প্রতিহতের চেষ্টা করে। গুলি ও ককটেলের আঘাতে আমাদের পাঁচজন আহত হয়। হামলাকারী বেশির ভাগ নরসিংদী এলাকার লোকজন।"
— আজগর আলী সরকার বাড়ির ইসমাইল মিয়া
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শান্তিপুর গ্রাম, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুয়েল রানা (১৯), শেবু সরকার, মোক্তার হোসেন, ইসমাইল মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন আহত, ৩০ জুন (পূর্ববর্তী সংঘর্ষ), ১০০ বছর (বিরোধের দীর্ঘতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!