📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর গৃহবধূ রত্না দাসের লাশ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। লাশের হাত-পা বাঁধা ছিল এবং গলায় শাড়ি প্যাঁচানো পাওয়ায় হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ জাগে। ঘটনার বিচার চাইতে পরিবার আগ্রহী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর গৃহবধূ রত্না দাসের লাশ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। লাশের অবস্থা দেখে হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ জাগে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রত্না দাস (৩০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগরের খাগালিয়া গ্রামের গৃহবধূ, নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়
- 📌 লাশের হাত-পা সিমেন্টের ভারী বস্তুর সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা ছিল এবং গলায় শাড়ি প্যাঁচানো পাওয়ায় হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ
- 📌 ১৭ অক্টোবর রাতে রত্না নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন, পরিবার খোঁজাখুঁজি করলেও সন্ধান পাননি
- 📌 স্বামী সুশীল দাস নাসিরনগর থানায় জিডি করেন, পরে স্থানীয় লোকজন লাশের সন্ধান পান
- 📌 মামা বিনোদ দাস বলেন, ‘নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, বিচার চাই’
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগরের ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে বুধবার বিকেলে রত্না দাসের লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি বাড়ি থেকে মাত্র ৫০ ফুট দূরে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। মরদেহের অর্ধেক পানির ওপরে এবং অর্ধেক পানির নিচে ছিল। পুলিশের তথ্য মতে, লাশের গলায় শাড়ি দিয়ে প্যাঁচানো ছিল এবং দুই হাত-পা সিমেন্টের ভারী বস্তুর সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা ছিল।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “বাড়ি থেকে ৫০ ফুট দূরে পুকুরে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের অবস্থা দেখে হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ জাগে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।”
১৭ অক্টোবর রাতে রত্না নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। পরিবার খোঁজাখুঁজি করলেও সন্ধান পাননি। পরদিন তার স্বামী সুশীল দাস নাসিরনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে স্থানীয় লোকজন রত্নার বাড়ির পাশের পুকুরে কিছু ভাসতে দেখেন। সেখানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশের সন্ধান পান। খবর পেয়ে স্বজনরা এসে লাশটি রত্নার বলে শনাক্ত করেন।
রত্না দাসের মামা বিনোদ দাস বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। আমার ভাগনিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।” পরিবার জানায়, রত্না ঘরে একা ঘুমাতেন এবং দুর্বৃত্তরা ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে। পরে রত্নাকে সিমেন্টের স্লাবের মতো ভারী বস্তুর সঙ্গে বেঁধে পুকুরে ফেলে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
"এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। আমার ভাগনিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর, ভলাকুট ইউনিয়ন, খাগালিয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রত্না দাস (৩০), সুশীল দাস, বিনোদ দাস, শাহিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর, ৫০ ফুট, ১৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!