📌 বরগুনা বেতাগীতে স্কুলছাত্রীকে বখাটের মারধরে তিনটি দাঁত ভেঙে যাওয়ায় হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতর। পলাতক আসামি ফয়সালের মা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
বরগুনা বেতাগীতে বখাটের মারধরে আহত স্কুলছাত্রী বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। মাঝেমধ্যে ভয়ে চিৎকার করে উঠছেন ছাত্রী। গত সোমবার বিকেলে সরিষামুড়ি ইউনিয়নের গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে পঞ্চম শ্রেণির এই ছাত্রীর ওপর হামলা চালিয়েছিলেন মো. ফয়সাল। চড়-লাথিতে ছাত্রীর ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরগুনা বেতাগীতে বখাটের মারধরে স্কুলছাত্রীর তিনটি দাঁত ভেঙে যাওয়ায় হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতর মা-মেয়ের দৃশ্য
- 📌 পলাতক আসামি মো. ফয়সাল (২৩) বাড়ি বিদ্যালয়ের পাশে গাবতলী গ্রামে, পুলিশ তাঁর মা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে
- 📌 হাসপাতালের চিকিৎসক বলেছেন, ইনফেকশন হওয়ায় দাঁত পুনঃস্থাপনের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 মামলায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে বেতাগী থানায় মামলা করেছেন
- 📌 বেতাগী থানার ওসি বলেছেন, মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ফয়সালকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার বিকেল চারটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। স্কুলের ওয়াশরুমে গেলে ফয়সাল মেয়েটিকে উঁকি দেন। মেয়েটি টের পেলে সটকে পড়লে ফয়সাল তাকে মারধরের হুমকি দেন। পরে মেয়েটিকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন এক শিক্ষক। স্কুল ছুটির পর ফয়সাল ছাত্রীর ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এতে ছাত্রীর ওপরের পাটির সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রীর পাশে ছিলেন তার মা। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েটা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। মা হয়ে আমি দেখতে পারছি না। মেয়ের অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমি উপযুক্ত বিচার চাই।’ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাহমুদ মুর্শিদ বলেন, ‘রোগীর ওপরের সামনের অংশের তিনটি দাঁত পড়ে গেছে। ওই জায়গায় ইনফেকশন আছে। ক্ষত শুকানোর পরে ডেন্টাল চিকিৎসা শুরু করব। কীভাবে দাঁত পুনঃস্থাপন করা যায়, সে ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নেব। রোগী এই মুহূর্তে শঙ্কামুক্ত, তবে তাকে দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফয়সালের বাড়ি বিদ্যালয়ের পাশে গাবতলী গ্রামে। ঘটনার পর থেকে ফয়সাল পলাতক। বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, ‘মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফয়সালকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।’
"আমার মেয়েটা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। মা হয়ে আমি দেখতে পারছি না। মেয়ের অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমি উপযুক্ত বিচার চাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল, বরগুনা বেতাগী, সরিষামুড়ি ইউনিয়ন, গাবতলী গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফয়সাল (২৩), স্কুলছাত্রী, তার মা, আরএমও মাহমুদ মুর্শিদ, ওসি হারুন অর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি দাঁত ভেঙে গেছে, ২৩ বছর বয়সী ফয়সাল, মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!