📌 বগুড়ার শেরপুরে মহিপুর কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯ শিক্ষার্থীকে পাঁচজন কিশোর আটকে রাখে এবং অভিভাবকদের হুমকি দেয়। পুলিশ ঘটনাটি স্বীকার করেছে, কিন্তু মামলা রেকর্ড হয়নি। অভিযুক্তদের মধ্যে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় মহিপুর কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯ শিক্ষার্থীকে পাঁচজন কিশোর প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রাখা এবং তাদের অভিভাবকদের হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে, যেখানে শিক্ষার্থীদের প্রায় আট ঘণ্টা গুদামে আটকে রাখা হয়। অভিভাবকরা তাদের উদ্ধার করার পর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন, কিন্তু অভিযুক্তরা এখনও এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়া শেরপুরে ৯ শিক্ষার্থীকে আটকে রাখা এবং অভিভাবকদের হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে
- 📌 পাঁচজন কিশোরের মধ্যে ১৭ বছর বয়সী একজন অভিযুক্তের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী পাঁচজন কিশোরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে
- 📌 পুলিশ ঘটনাটি স্বীকার করেছে, কিন্তু মামলা রেকর্ড হয়নি
- 📌 অভিভাবকরা নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন এবং অভিযুক্তরা তাদের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছে
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার রাতে মহিপুর কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৯ শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল এলাকার একটি মুরগির গুদামে আটকে রাখা হয়। স্থানীয় কিশোরেরা তাদের ডেকে নিয়ে যায় এবং প্রায় আট ঘণ্টা পর অভিভাবকরা তাদের উদ্ধার করেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন সুমনের বাবা শুকুর আলী গতকাল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। তিনি পাঁচজন কিশোরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্তদের বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছর।
শুকুর আলী প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে অভিযুক্ত এক কিশোর (১৭) এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজন তাঁর ভাইয়ের স্ত্রীকে হুমকি দেয়। অভিযুক্ত কিশোরেরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত কিশোরের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান জানান, অভিযোগটি গতকাল পেয়েছেন এবং ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে সত্য বলে স্বীকার করেছেন। তবে এ ঘটনায় করা লিখিত অভিযোগ আজ বুধবার বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়নি। তিনি বলেন, বিষয়টি থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেছেন, অভিযোগটি এখনো তদন্তাধীন এবং যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
"গত সোমবার রাতে আমি ঘটনাটি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। এর জের ধরে অভিযুক্তরা আমার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছে। তারা এখনও এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং আমরা নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছি।"
"অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে সত্য বলে স্বীকার করা হয়েছে। তবে মামলা রেকর্ড হয়নি। তদন্ত চলছে এবং যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহিপুর কলোনি, শেরপুর উপজেলা, বগুড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শুকুর আলী (ভুক্তভোগী), কামরুল হাসান (এসআই), জয়নুল আবেদীন (পুলিশ পরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ শিক্ষার্থী, ১৫-১৭ বছর বয়সী পাঁচজন অভিযুক্ত কিশোর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!