📌 বিএনপি সরকারের শাসনামলে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির ঘটনা বাড়ছে। কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরে ঘটে যাওয়া লুটপাট ও ভাঙচুরে সরকারের অক্ষমতা প্রশ্নে উঠেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, চাঁদা না দিলে সন্ত্রাসী গ্যাং হামলা করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের শাসনামলে চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনা ক্রমাগত বাড়ছে। ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরে ঘটে যাওয়া লুটপাটের ঘটনায় সরকারের অক্ষমতা প্রশ্নে উঠেছে। ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাঁদা না দিলে সন্ত্রাসী গ্যাং হামলা করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কেরানীগঞ্জের আফসানা হাউজিং অফিসে ৩০ জন যুবক লাঠিসোটা নিয়ে ভাঙচুর করে ১ কোটি টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ম্যানেজার মো. নাসির জানান, চাঁদার দাবি না মানায় ঘটনাটি ঘটে।
- 📌 ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি না মানায় ব্যবসায়ী সজীব ব্যাপারীকে সন্ত্রাসী গ্যাং হামলা করে। তিনি ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।
- 📌 মিরপুরের রূপনগরে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ব্যবসায়ীরা কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। মোদাচ্ছের হোসেন বলেন, চাঁদা না দিলে পাইলিংসহ মালামাল লুট করা হয়।
- 📌 আব্দুল মান্নান জানান, দশতলা ভবনের কাজে চাঁদার দাবি মেনে না নিলে তার লোকজনকে মারধর করা হয়। সর্বশেষ এক মাস ধরে কাজ বন্ধ আছে।
📰 বিস্তারিত
গত রোববার ঢাকার কেরানীগঞ্জের আরশিনগরে অবস্থিত আফসানা হাউজিং অফিসে ঘটে যাওয়া ভাঙচুরের ঘটনাটি চাঁদাবাজির একটি উদাহরণ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ৩০ জন যুবক লাঠিসোটা নিয়ে অফিসে ঢুকে ভাঙচুর করে। তারা সোফাসেট, এয়ারকন্ডিশনার, টিভি, গিজারসহ দামি মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। অফিসের ম্যানেজার মো. নাসির জানান, চাঁদার দাবি না মানায় ঘটনাটি ঘটে। তিনি বলেন, “ওরা চল্লিশ লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছিলো। বলেছিলো এখানে ব্যবসা করতে হলে চাঁদা দিতে হবে। আমরা রাজি হই নাই। তারপর এই হামলা। প্রায় এক কোটি টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।”
ব্যবসায়ী সজীব ব্যাপারী জানান, সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং ভাড়া করে এই হামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ওরা সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং ভাড়া করে এই হামলাটা করেছে। কারণ আমি ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দেই নাই। আমি বলছি যে, আমি চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করবো না। এখন আমি তো ভয়-আতঙ্ক নিয়ে আছি। কাজ বন্ধ।” তিনি ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে কেরানিগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মিরপুরের রূপনগরে অবস্থিত ব্যবসায়ী মোদাচ্ছের হোসেন জানান, চাঁদার দাবি মেনে না নিলে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হন। তিনি বলেন, “কাজ শুরু করতে না করতেই দফায় দফায় চাঁদার দাবিতে লোকজন আসতে শুরু করলো। একই গ্রুপ, কিন্তু একেকবার একেজন আসে। আমি চারটা পাইলিং শুরু করে দিলাম। ওরা হুমকি দিলো যে, আগে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে। নাহলে সব মালামাল নিয়ে যাবে।” তিনি জানান, চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দিতে হয়।
অবশেষে, আব্দুল মান্নান জানান, দশতলা ভবনের কাজে চাঁদার দাবি মেনে না নিলে তার লোকজনকে মারধর করা হয়। তিনি বলেন, “এখানে তো মাটি কাটার সময় থেকেই চান্দা শুরু হয়ে গেছে। আমি ওদের সঙ্গে অনেকবার বসছি। কিন্তু ওরা একেকবার একেকজন আসে। পরে আর চান্দা দেই নাই। পরে ওরা আমার লোকজনকে কয়েকবার মারধর করছে। মানে ওদেরকে টাকা দিলে আমাকে কাজ করতে দিবে। তখন আর ঝামেলা করবে না।” তিনি জানান, সর্বশেষ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে কাজ বন্ধ আছে।
"এই রুমে এসি ছিল। সেটা খুলে নিয়ে গেছে। এটার আউটডোরও খুলে নিয়ে গেছে। দামি সোফা ছিল, টেবিল, ক্যাশটাকাকা -সব নিয়ে গেছে। টিভি-গিজারও নিয়ে গেছে,"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেরানীগঞ্জ (আফসানা হাউজিং), মিরপুর (রূপনগর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নাসির, সজীব ব্যাপারী, মোদাচ্ছের হোসেন, আব্দুল মান্নান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন যুবক, ১৬ জনের নাম, ৪০ লাখ টাকা, ১০ লাখ টাকা, ১ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!