📌 ভোলার মেঘনা নদীতে জালে আটকে ২৪ কেজি বিশাল ব্ল্যাক কার্প ধরা পড়েছে। নিলামে মাছটি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয় এবং ১৮ জনের মধ্যে ভাগ করা হয়। মৎস্য কর্মকর্তারা জানান, এই মাছ বাংলাদেশের দেশীয় নয়, বরং পূর্ব এশিয়ার চাষজাত
ভোলার সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে জালে আটকে ২৪ কেজি বিশাল ব্ল্যাক কার্প ধরা পড়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে মাছটি তালতলী মাছঘাটে আনা হলে স্থানীয়দের ভিড় জমে। মাছটি নিলামে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয় এবং ১৮ জনের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেঘনা নদীতে ২৪ কেজি বিশাল ব্ল্যাক কার্প ধরা পড়ে, যা জালে আটকে উঠে
- 📌 নিলামে মাছটি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে দর হাঁকার পর
- 📌 ১৮ জনের মধ্যে মাছটি ভাগ করে নেওয়া হয়
- 📌 মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া জানান, এই মাছ বাংলাদেশের দেশীয় নয়, বরং পূর্ব এশিয়ার চাষজাত
- 📌 বন্যার সময় পুকুর থেকে বেরিয়ে এসে নদীতে বড় আকার ধারণ করতে পারে এই মাছ
📰 বিস্তারিত
মেঘনা নদীতে জাল ফেলে জেলে মো. সুলতান সরদার আজ দুপুরে বিশাল ব্ল্যাক কার্প ধরা পড়েন। জাল তোলার সময় মাছটি আটকে যায়। পরে এটি তালতলীর ফকির দালালের আড়তে নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় ক্রেতারা দর হাঁকতে থাকেন এবং শেষ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি হয়।
মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া জানান, ব্ল্যাক কার্প বাংলাদেশের দেশীয় মাছ নয়। এটি পূর্ব এশিয়ার, বিশেষ করে চীনের একটি স্বাদুপানির কার্পজাতীয় মাছ। বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে পুকুরে এর চাষ করা হয়। মেহেদী হাসান আরও বলেন, নদীতে প্রাকৃতিক খাদ্য ও অনুকূল পরিবেশ পেলে ব্ল্যাক কার্প দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ৩০ কেজি বা তারও বেশি ওজনের হতে পারে। পুকুরে সাধারণত ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প বেশি দেখা যায়। বন্যার সময় এ ধরনের মাছ নদীতে চলে যেতে পারে এবং বড় আকার ধারণ করতে পারে।
জেলে সুলতান সরদারের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি, তবে নৌকার জেলেরা জানান, মাছটি জালে উঠতেই সবাই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। এত বড় ব্ল্যাক কার্প তাঁরা আগে খুব একটা দেখেননি। স্থানীয় লোকজনের ভিড় জমেছিল লঞ্চঘাট এলাকায়।
"নদীতে প্রাকৃতিক খাদ্য ও অনুকূল পরিবেশ পেলে ব্ল্যাক কার্প দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ৩০ কেজি বা তারও বেশি ওজনের হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেঘনা নদী, ভোলা সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান ভুঁইয়া (জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা), মো. সুলতান সরদার (জেলে)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ কেজি (মাছের ওজন), ১৭ হাজার ৫০০ টাকা (বিক্রয় মূল্য), ১৮ জন (মাছ ভাগ করা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!