📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিষপান করে আত্মহত্যা: স্বামীকে ভিডিও কলেই রেখে মারা যায় বরিশালের গৃহবধূ, মেয়ের বাবা দাবি মানসিক নির্যাতনের শিকার

বিষপান করে আত্মহত্যা: স্বামীকে ভিডিও কলেই রেখে মারা যায় বরিশালের গৃহবধূ, মেয়ের বাবা দাবি মানসিক নির্যাতনের শিকার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্বামীকে ভিডিও কলেই রেখে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন ২৭ বছর বয়সী ঝুমুর খানম সেতু। তার বাবা দাবি করেন, স্বামীর পরিবারের মানসিক নির্যাতনে বিষপান করে মেয়ে আত্মহত্যা করেন। অন্যদিকে, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্বামীকে ভিডিও কলেই রেখে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন ২৭ বছর বয়সী ঝুমুর খানম সেতু। আজ সোমবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। গতকাল রোববার রাতে তিনি স্বামী শাহারিয়া কাজী ওরফে শাহাবুদ্দিনকে ভিডিও কলেই রেখে বিষপান করেন। অভিযোগ উঠেছে, স্বামীর পরিবারের মানসিক নির্যাতনে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন ঝুমুর।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৭ বছর বয়সী ঝুমুর খানম সেতু স্বামীকে ভিডিও কলেই রেখে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন।
  • 📌 গতকাল রোববার রাত ১১টায় বিষপান করে ঝুমুর মুমূর্ষু অবস্থায় আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
  • 📌 স্বামীর পরিবার — মা রুনু বেগম, বোন নাজমিন বেগম, শারমিন, রিয়া ও নাজমিনের জামাতা সাইদুল হাওলাদার — ঝুমুরের ওপর মানসিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন।
  • 📌 ঝুমুরের বাবা করিম খান দাবি করেন, বিয়ের পর থেকে মেয়ে ও তার পরিবারের সদস্যদের অকারণে মানসিক নির্যাতন করা হত।
  • 📌 পুলিশ তদন্ত করছে — আগৈলঝাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, শাহাবুদ্দিনের পরিবার বা ঝুমুরের পরিবার কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি।
  • 📌 ১৯ শিক্ষার্থী পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় স্কুল ফিডিংয়ের দুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

📰 বিস্তারিত

বরিশালের গৌরনদী পৌর এলাকার চরগাধাতলী থেকে আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের আব্দুল করিম খানের মেয়ে ঝুমুর খানম সেতু (২৭) গতকাল রোববার রাত ১১টায় স্বামী শাহারিয়া কাজী ওরফে শাহাবুদ্দিনকে ভিডিও কলেই রেখে বিষপান করেন। ঝুমুরের বাবা করিম খান অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে মেয়ে, জামাতা, তাঁর মা, বোন ও বোনজামাতা কারণে অকারণে ঝুমুরকে মানসিক নির্যাতন করা হত। স্বামী কর্মের সুবাদে কুয়েত গমনের পর, শাহাবুদ্দিনের মা রুনু বেগম, বোন নাজমিন বেগম, শারমিন, রিয়া ও নাজমিনের জামাতা সাইদুল হাওলাদারের প্ররোচনায় ঝুমুরের ওপর মানসিক নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। একপর্যায়ে স্বামীর বাড়ি থেকে ঝুমুরকে তাঁর কন্যাসহ তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সেই থেকে ঝুমুর তাঁর কন্যাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন।

মৃত্যুর আগে ঝুমুর মুমূর্ষু অবস্থায় আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে ওই রাতেই বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা বেগতিক হওয়ায় আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে ঝুমুর মৃত্যুবরণ করেন।

অগত্যা থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, অভিযোগের বিষয়ে শাহাবুদ্দিনের পরিবার বা ঝুমুরের পরিবার কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি। তবে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

অন্যদিকে, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রিগঞ্জ ইউনিয়নের কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে স্কুল ফিডিংয়ের দুধ খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা পেটেব্যথা, খিঁচুনি ও মাথা ঘোরার শিকার হন।

"বিয়ের পর থেকে মেয়ে, জামাতা, তাঁর মা, বোন ও বোনজামাতা কারণে অকারণে ঝুমুরকে মানসিক নির্যাতন করা হত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আগৈলঝাড়া উপজেলা, বরিশাল; ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল; পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঝুমুর খানম সেতু, শাহারিয়া কাজী ওরফে শাহাবুদ্দিন, করিম খান, ওসি মোহাম্মদ মাসুদ খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ বছর (ঝুমুরের বয়স), ১১ টা (বিষপান সময়), ১৯ জন (অসুস্থ শিক্ষার্থী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖