📌 ভৈরব উপজেলা থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ঢাকায় পাচারের অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত জাহাজ জব্দ করে। জাহাজের কর্মচারীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং জব্দকৃত মাটি নিলামে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
ভৈরব উপজেলার হাওর জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ঢাকায় পাচারের অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি জাহাজ জব্দ করে। অভিযানে জাহাজের কর্মচারীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং জব্দকৃত মাটি নিলামে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভৈরব উপজেলার লুন্দিয়া ও খলাপাড়া হাওর থেকে অবৈধভাবে ২০ হাজার ঘনফুট মাটি কেটে ঢাকায় পাচারের অভিযানে জাহাজ জব্দ করা হয়
- 📌 জাহাজের নাম 'এমবি শাহ ফতুল্লাহ (১২)' এবং নিবন্ধন নম্বর এম-০১-৪৫০৩
- 📌 জাহাজের কর্মচারী মো. শামীম মিয়াকে অনুমতি ছাড়া মাটি উত্তোলনের দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়
- 📌 জব্দকৃত মাটি নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
- 📌 অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জসিম উদ্দিনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা
📰 বিস্তারিত
২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় ভৈরব বাজারের জেটিঘাটে অভিযান চালিয়ে 'এমবি শাহ ফতুল্লাহ (১২)' নামের জাহাজটি জব্দ করা হয়। অভিযানে জাহাজে থাকা মাটি নিলামে বিক্রি করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া ও খলাপাড়া হাওরের ফসলি জমি থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নদীপথে ঢাকায় পাচারের চেষ্টা করা হয়েছিল। খবর পেয়ে বিআইডব্লিউটিএ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ দল অভিযান চালিয়ে জাহাজটি আটক করে।
উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে জাহাজটি জব্দ করা হয়। জাহাজের কর্মচারী মো. শামীম মিয়াকে অনুমতি ছাড়া মাটি উত্তোলনের দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রশাসন জানিয়েছে, জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
জব্দকৃত মাটি বুধবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে নিলামে বিক্রি করা হয়। নিলাম থেকে পাওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জসিম উদ্দিনসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
"ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ঢাকায় পাচারের সময় মাটিভর্তি জাহাজটি জব্দ করা হয়। অনুমতি ছাড়া মাটি উত্তোলনের দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরে জব্দ করা মাটি নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।"
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক বলেন, "অবৈধ মাটি উত্তোলন একটি জরুরি সমস্যা। আমরা এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সতর্কতা বজায় রাখতে চাই। জব্দকৃত মাটি নিলামে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার মাধ্যমে এই অর্থের ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভৈরব উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শামীম মিয়া, এএইচএম আজিমুল হক, মো. জসিম উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার ঘনফুট মাটি, ১ লাখ টাকা জরিমানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!