📌 কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার চন্ডিবের গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবারকে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম সহায়তা বিতরণ করেছেন। প্রতিটি পরিবারকে ৩৬ হাজার টাকা, ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আরও সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার চন্ডিবের গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩টি পরিবারকে সরকারি সহায়তা পেয়েছে। পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম প্রতিটি পরিবারের হাতে ৩৬ হাজার টাকার নগদ চেক, ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৩ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় অগ্নিকাণ্ডে, প্রতিটি পরিবার পায় ৩৬ হাজার টাকা সহ খাদ্য ও ঢেউটিন
- 📌 প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলেন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জেনে নেন
- 📌 ১ অক্টোবর বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন শুরু হয়, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ১০ থেকে ১২টি ঘরসহ ১৩টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত
- 📌 ভৈরব ফায়ার সার্ভিস তিনটি ইউনিট এবং পরে আশুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে
- 📌 সহায়তা বিতরণে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে. এম. মামুনুর রশীদ, বিএনপির উপজেলা ও পৌর নেতাকর্মীরা
- 📌 প্রতিমন্ত্রী চন্ডিবের হিন্দুপাড়ার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন
📰 বিস্তারিত
৫ অক্টোবর সকালে চন্ডিবের গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে খোঁজ নেন। তিনি বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সরকার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকেও তাদের আরও সহায়তা দেওয়া হবে।”
১ অক্টোবর বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন শুরু হয়। দ্রুত আশপাশের বসতঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে ১০ থেকে ১২টি ঘরসহ ১৩টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খবর পেয়ে ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আশুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের আরও একটি ইউনিট তাদের সঙ্গে যোগ দেয়।
সহায়তা বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে. এম. মামুনুর রশীদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাকর্মী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সহায়তা বিতরণ শেষে প্রতিমন্ত্রী চন্ডিবের জেলেপাড়ায় গিয়ে নিম্নআয়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
"অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সরকার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকেও তাদের আরও সহায়তা দেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা, চন্ডিবের গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শরিফুল আলম (প্রতিমন্ত্রী), কে. এম. মামুনুর রশীদ (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ পরিবার, ৩৬ হাজার টাকা, ১০-১২টি ঘর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!