📌 সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় যমুনা নদীতে মা ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করতে মৎস্য বিভাগের অভিযানে এক লাখ পাঁচ হাজার মিটার অবৈধ জাল ও ১৯টি চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জালের মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা এবং তা আগুনে ধ্বংস করা হয়
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় যমুনা নদীতে মৎস্য বিভাগের অভিযানে এক কোটি টাকার মূল্যের অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চলাকালীন এক লাখ পাঁচ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ১৯টি চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেলকুচি উপজেলা যমুনা নদীতে মা ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করতে অভিযান চালানো হয়
- 📌 ১ লাখ ৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ১৯টি চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়
- 📌 উদ্ধারকৃত জালের আনুমানিক মূল্য এক কোটি টাকা এবং তা আগুনে ধ্বংস করা হয়
- 📌 অভিযান পরিচালনা করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান এবং অঞ্জন কুমার রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন
- 📌 অভিযান ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বেলকুচি উপজেলার যমুনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে অবৈধ জালগুলো উদ্ধার করেন। মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করা এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ প্রতিরোধ করা। উদ্ধারকৃত জালগুলো স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, উপজেলার যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে অবৈধ জালগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযান দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অঞ্জন কুমার রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন এবং অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানটি ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
"মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করা এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেলকুচি উপজেলা, যমুনা নদী, সিরাজগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, অঞ্জন কুমার রায়সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৫ হাজার মিটার অবৈধ জাল, ১৯টি চায়না দুয়ারি জাল, এক কোটি টাকা মূল্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!