📌 বরিশালের মুলাদী উপজেলার সেলিমপুর থেকে আনন্দবাজার পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়ক ভাঙাচোরা ও কাদাপানিতে একাকার। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সড়ক সংস্কারের
বরিশালের মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের সেলিমপুর বাজার থেকে জাগরনী বাজার হয়ে আনন্দবাজার পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভাঙাচোরা ও কাদাপানিতে একাকার হয়ে গেছে। পুরো সড়কজুড়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও কর্দমাক্ত পরিবেশ। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সেলিমপুর থেকে আনন্দবাজার পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়ক ভাঙাচোরা ও কাদাপানিতে একাকার
- 📌 দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে
- 📌 পূর্ব তয়কা ও জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন নিয়মিত
- 📌 অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয়দের জন্য
- 📌 স্থানীয় ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন জানান, সড়কের বেহাল অবস্থায় ব্যবসায়ীরাও পণ্য পরিবহনে সমস্যায় পড়ছেন
📰 বিস্তারিত
বরিশাল জেলার অন্তর্গত মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের সেলিমপুর বাজার থেকে আনন্দবাজার পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভাঙাচোরা ও কাদাপানিতে একাকার হয়ে গেছে। পুরো সড়কজুড়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও কর্দমাক্ত পরিবেশ। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির বেহাল দশায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন এলাকার শিক্ষার্থীরা। পূর্ব তয়কা ও জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। পিচ্ছিল ও কর্দমাক্ত রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই তারা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বই-খাতা ও শিক্ষা উপকরণ। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে স্কুলে যাওয়া থেকে বিরত থাকছেন।
এ ছাড়া সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে কৃষিপণ্য পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসাসেবা পাওয়াতেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। অসুস্থ রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। জাগরনী বাজারের ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন বলেন, সড়কে কাদামাটি থাকায় স্থানীয় বাসিন্দা, বাজারের ব্যবসায়ী ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সড়কে যানবাহন চলাচল করতে না পারায় ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহনেও সমস্যায় পড়েছেন।
সেলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদের ঘরামী বলেন, ‘গ্রামের কেউ অসুস্থ হলে গাড়িতে করে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। খাট কিংবা চেয়ারে বসিয়ে কাঁধে করে রোগীকে নিয়ে যেতে হয়। সড়কের কিছু জায়গায় বালুর বস্তা, গাছ ও বাঁশ দিয়ে কোনো রকমে চলাচল করতে হচ্ছে।’ স্থানীয়দের দাবি, যোগাযোগব্যবস্থার দুর্ভোগ দূর করে শিক্ষা, কৃষি ও সার্বিক জীবনযাত্রার মান স্বাভাবিক রাখতে সড়কটি দ্রুত ও টেকসইভাবে সংস্কার করা প্রয়োজন।
‘সড়কটির বেহাল দশায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন এলাকার শিক্ষার্থীরা। পূর্ব তয়কা ও জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। পিচ্ছিল ও কর্দমাক্ত রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই তারা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।’ — স্থানীয় বাসিন্দা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলা, বাটামারা ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল কাদের ঘরামী, ইমরান হোসেন, পূর্ব তয়কা ও জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!