📌 বরগুনা আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে জেলেদের মধ্যে সরকারি সহায়তা চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সদস্যরা ৬ টন চাল আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। শতাধিক জেলেকে চাল দেওয়া হয়নি বলে জেলেরা দাবি করছে
বরগুনা আমতলী উপজেলায় জেলেদের মধ্যে সরকারি সহায়তা চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারের মানবিক সহায়তা হিসেবে বরাদ্দকৃত ৬ টন চাল আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে জেলেরা দাবি করছেন। ইলিশ শিকার নিষিদ্ধকালীন সরকারি সহায়তা চাল বিতরণে এই অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬ টন চাল আত্মসাৎ**: আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন ও ইউপি সদস্যরা ৬ টন চাল জেলেদের বিতরণ না করে নিজেদের আত্মসাৎ করেছেন।
- 📌 **শতাধিক জেলেকে চাল দেওয়া হয়নি**: নিবন্ধিত জেলেদের মধ্যে শতাধিক কার্ডধারী জেলেকে চাল দেওয়া হয়নি বলে জেলেরা অভিযোগ করেছেন।
- 📌 **তালিকায় নাম না থাকার অজুহাত**: জেলেদের বলা হয়েছে, তাদের নাম তালিকায় নেই বলে চাল দেওয়া হয়নি।
- 📌 **৪০ টন চাল বরাদ্দের মধ্যে ৩৪ টন ছাড়**: ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন ৪০ টন চালের মধ্যে ৩৪ টন ছাড় করেছেন, বাকি ৬ টন আত্মসাৎ করেছেন।
- 📌 **দাবি: দ্রুত তদন্ত ও ব্যবস্থা**: জেলেরা দাবি করেছেন, দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
📰 বিস্তারিত
বরগুনা আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে জেলেদের মধ্যে সরকারি সহায়তা চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জেলেরা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন ও ইউপি সদস্যরা ৬ টন চাল জেলেদের বিতরণ না করে নিজেদের আত্মসাৎ করেছেন।
সরকারের মানবিক সহায়তা হিসেবে ভিজিএফের চাল বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা ছিল। আমতলী উপজেলায় সাত হাজার জেলের জন্য সরকার চাল বরাদ্দ করেছে। তবে আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ১ হাজার ৬০০ জেলের জন্য ৪০ টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছিল। জেলেরা দাবি করেছেন, এই চালের মধ্যে ৬ টন আত্মসাৎ করা হয়েছে।
জেলেরা জানান, তাদের কার্ড থাকা সত্ত্বেও চাল দেওয়া হয়নি। তালিকায় নাম না থাকার অজুহাত দিয়ে শতাধিক জেলেকে চাল দেওয়া হয়নি। জেলে জালাল বলেছেন, ‘আমার কার্ড আছে, কিন্তু চাল দেয়নি। তালিকায় নাম নেই বলে বলা হয়েছে।’ জেলে খলিল আরও বলেছেন, ‘১ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৫ জন জেলেকে চাল দেওয়া হয়নি। তাদের বলা হয়েছে, নিবন্ধন থাকলেও তালিকায় নাম নেই।’
আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। সব জেলের মাঝে চাল বিতরণ করেছি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’
"আমার ওয়ার্ডে ২৭০ জন জেলের মধ্যে সবার চাল দেওয়া হয়েছে। কোনো জেলেকে খালি হাতে ফিরতে দেওয়া হয়নি।"
— মো. বশির হাওলাদার, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন, বরগুনা আমতলী উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাকির হোসেন (ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা), জেলে জালাল, জেলে খলিল, মো. বশির হাওলাদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ টন (চাল আত্মসাৎ), ৪০ টন (বরাদ্দ চাল), ১ হাজার ৬০০ (জেলের সংখ্যা), ২৫ কেজি (প্রত্যেক জেলের চাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!