📌 বরগুনা জেলা পরিষদ বঙ্গবন্ধু সড়কের আমতলী পৌর শহরে ৪৪ বছর ধরে অবৈধভাবে দখল করা ছয়টি স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। ব্যবসায়ী শ্যামল দাশের দোকানসহ এই স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে দখলকারীরা জমি খাজনা পরিশোধ না করেই দীর্ঘকাল ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অরবিন্দ বিশ্বাস জানান, পর্যায়ক্রমে সব জমি দখলমুক্ত করা হবে
বরগুনা জেলা পরিষদ আজ বুধবার আমতলী পৌর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে অবস্থিত ছয়টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমি দখলমুক্ত করেছে। এই স্থাপনাগুলো ৪৪ বছর ধরে অবৈধভাবে দখল করা ছিল, যেখানে দখলকারীরা জেলা পরিষদের জমি খাজনা পরিশোধ না করেই ব্যবসা পরিচালনা করছিল। জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অরবিন্দ বিশ্বাস জানান, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে জেলা পরিষদের জমি দখলমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরগুনা জেলা পরিষদ বঙ্গবন্ধু সড়কের আমতলী পৌর শহরে **৬টি অবৈধ স্থাপনা** গুঁড়িয়ে দিয়েছে, যা **৪৪ বছর ধরে** অবৈধভাবে দখল করা ছিল।
- 📌 দখলকারীদের মধ্যে **ব্যবসায়ী শ্যামল দাশ** উল্লেখযোগ্য, যিনি বলেছেন, ‘জেলা পরিষদের জমি বৈধভাবে খাজনা পরিশোধ করে দোকান নির্মাণ করেছি, কিন্তু গতকাল নোটিশ পেয়ে আজ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে’।
- 📌 **২০ সেপ্টেম্বর** দখলকারীদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা জমি দখলমুক্ত করতে অস্বীকার করেছিল।
- 📌 জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা **অরবিন্দ বিশ্বাস** জানান, ‘পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদের সব জমি দখলমুক্ত করা হবে’।
- 📌 **১৯৮২ সাল** থেকে আমতলী উপজেলা পরিষদ গঠিত হওয়ার পর থেকে এই জমি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বরগুনা জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ আজ বুধবার আমতলী পৌর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের ডাকবাংলোর সামনে অবস্থিত ছয়টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে জমি দখলমুক্ত করেছে। এই স্থাপনাগুলো দীর্ঘ **৪৪ বছর** ধরে অবৈধভাবে দখল করা ছিল। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা **অরবিন্দ বিশ্বাস** জানান, ‘জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদের সব জমি দখলমুক্ত করা হবে।’
ব্যবসায়ী **শ্যামল দাশ** বলেন, ‘আমি জেলা পরিষদের জমি বৈধভাবে খাজনা পরিশোধ করে দোকানঘর নির্মাণ করেছিলাম এবং ব্যবসা করে আসছিলাম। কিন্তু গতকাল সন্ধ্যায় জেলা পরিষদ আমাকে নোটিশ দেয়। আজ এসেই আমারসহ ছয়টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। কেউ দোকানের মালামাল সরাতে পারিনি।’
জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, **২০ সেপ্টেম্বর** দখলকারীদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা জমি দখলমুক্ত করতে অস্বীকার করেছিল। ফলে আজ অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।
"জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদের সব জমি দখলমুক্ত করা হবে।"
— **অরবিন্দ বিশ্বাস**, বরগুনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আমতলী পৌর শহর, বরগুনা জেলা, বঙ্গবন্ধু সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অরবিন্দ বিশ্বাস (জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা), শ্যামল দাশ (ব্যবসায়ী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ বছর (অবৈধ দখল), ৬টি স্থাপনা, ২০ সেপ্টেম্বর (নোটিশ তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!