📌 বান্দরবান-থানচি সড়কে জিপ ও মাহেন্দ্র চলাচল বন্ধের পর বাসচালকও প্রতিবাদে বাস চলাচল বন্ধ রাখছে। স্থানীয় বাসিন্দারা চিকিৎসা, ব্যবসা ও জরুরি কাজে যাতায়াতে অসুবিধা ভোগ করছেন। বাসচালক সমিতির সভাপতি মো. খালেদ বলেছেন, অতিরিক্ত চাঁদা দাবির প্রতিবাদে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে
বান্দরবান জেলা সদর ও থানচি উপজেলা সদরের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জিপ ও মাহেন্দ্র চলাচল বন্ধের পর বাসচালকও প্রতিবাদে বাস চলাচল বন্ধ রাখার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা চিকিৎসা, ব্যবসা ও জরুরি কাজে যাতায়াতের অসুবিধায় পড়েছেন। বান্দরবান-থানচি সড়কে এই অবস্থা টানা তিন দিন ধরে চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বান্দরবান-থানচি সড়কে জিপ ও মাহেন্দ্রচালক সমিতির সিদ্ধান্তে জিপ ও মাহেন্দ্র চলাচল বন্ধ
- 📌 বাসচালক সমিতির সভাপতি মো. খালেদের মতে, অতিরিক্ত চাঁদা দাবির প্রতিবাদে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা চিকিৎসা, ব্যবসা ও জরুরি কাজে যাতায়াতের অসুবিধায় পড়েছেন
- 📌 বাসচালক জহির উদ্দিন বলেছেন, অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হলে তা দেওয়া সম্ভব নয়
- 📌 বান্দরবান, রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল শুকুর বলেছেন, একটি গ্রুপ অতিরিক্ত চাঁদা দাবি করছে
- 📌 পর্যটকদের জন্য দলবদ্ধভাবে গাড়ি ভাড়া বা রিজার্ভ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে, কিন্তু স্থানীয় যাত্রীদের গাড়িতে তুলে যাতায়াত নিষিদ্ধ
📰 বিস্তারিত
চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বান্দরবান-থানচি সড়কে টানা তিন দিন বাস চলাচল বন্ধ থাকার পর এবার জিপ ও মাহেন্দ্রচালক সমিতির সিদ্ধান্তে এই পরিবহন ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার দুপুরে জিপ ও মাহেন্দ্রচালক সমিতির নেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন। এতে বান্দরবান জেলা সদর ও থানচি উপজেলা সদরের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারি-বেসরকারি কাজসহ জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করতে না পেরে দুর্ভোগে পড়েছেন।
জিপচালক সমিতির লাইনম্যান মো. কামাল বলেছেন, ‘পর্যটকেরা দলবদ্ধভাবে গাড়ি রিজার্ভ করে যাতায়াত করতে পারবেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের লোকাল যাত্রী হিসেবে গাড়িতে তুলে লোকাল যাতায়াত করা যাবে না।’ থানচি জিপচালক সমিতির সভাপতি মংসিংহ্লা মারমা ও সাধারণ সম্পাদক লোকমান এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাসচালক সমিতির সভাপতি মো. খালেদ বলেছেন, ‘আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী দাবি করা হলে আমরা দিতে পারতাম। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা দাবি করায় আমরা অপারগতা প্রকাশ করেছি।’ বাসচালক জহির উদ্দিনও একই কথা বলেছেন, ‘আমাদের সামর্থ্যের বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হলে তা দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের অবস্থাটাও বিবেচনা করতে হবে। সামর্থ্যের মধ্যে দাবি করা হলে আমরা দিতে পারতাম।’
বান্দরবান, রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল শুকুর বলেছেন, একটি গ্রুপ অতিরিক্ত চাঁদা দাবি করছে। এর প্রতিবাদে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিকে একই সঙ্গে বাস, জিপ ও মাহেন্দ্র চলাচল বন্ধ হওয়ায় বান্দরবান ও থানচির মধ্যে নিয়মিত যাতায়াতকারী স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিংপ্রু জেরীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
"পর্যটকেরা দলবদ্ধভাবে গাড়ি রিজার্ভ করে যাতায়াত করতে পারবেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের লোকাল যাত্রী হিসেবে গাড়িতে তোলা যাবে না।"
"আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী দাবি করা হলে আমরা দিতে পারতাম। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা দাবি করায় আমরা অপারগতা প্রকাশ করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বান্দরবান জেলা সদর ও থানচি উপজেলা সদর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. কামাল, জহির উদ্দিন, মো. খালেদ, মংসিংহ্লা মারমা, লোকমান, আবদুল শুকুর, স্থানীয় বাসিন্দারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিন (বাস চলাচল বন্ধ), ২ নম্বর (উড়োজাহাজের হাইড্রোলিক সিস্টেম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!