📌 বান্দরবান থেকে থানচি পর্যন্ত সড়ক বন্ধ থাকায় যাত্রী, ব্যবসায়ী ও রোগীদের যাতায়াতে বড় সমস্যা। বাসচালকদের নিরাপত্তা চিন্তায় চলাচল বন্ধ রাখা হচ্ছে, প্রশাসন সংস্কার কাজের সময়সীমা ঘোষণা করেছে।
বান্দরবান জেলা সদর থেকে পর্যটন কেন্দ্র থানচি উপজেলা পর্যন্ত যাত্রীবাহী বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, রোগী ও পর্যটকদের যাতায়াতে চরম অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। বাসচালকদের নিরাপত্তা চিন্তায় সড়কে বাস নামানোর অনীহা প্রকাশের কারণে এই অবস্থা অব্যাহত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ অক্টোবর থেকে বান্দরবান-থানচি সড়কে কোনো যাত্রীবাহী বাস চলাচল করছে না — বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে সীমিত পরিসরে চলাচল হয়েছিল
- 📌 মুঠোফোনে চাঁদা দাবি করার কারণে চালকরা সড়কে বাস নামানোর অনীহা প্রকাশ করছেন — বাসমালিকদের সঙ্গে সমন্বয় না হওয়ায় চলাচল বন্ধ রয়েছে
- 📌 বাসচালক আবদুল সালাম বলেছেন, পাহাড়ি সড়কগুলোতে নিরাপত্তা সমস্যা থাকায় বাসচালকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য চলাচল বন্ধ রাখছেন
- 📌 বান্দরবান-থানচি বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম জানান, প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব
- 📌 ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে জামিরা থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত তিন লেনের বাইপাস সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সংস্কার করা হবে
📰 বিস্তারিত
বান্দরবান জেলা সদর থেকে থানচি উপজেলা পর্যন্ত সড়ক বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা, ব্যবসায়ী, রোগী ও পর্যটকদের যাতায়াতে বড় সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে সীমিত পরিসরে বাস চলাচল হয়েছিল, কিন্তু আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) থেকে উভয় দিকে কোনো বাস চলাচল করছে না। বাসচালকদের মতে, পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি সড়কে নিরাপত্তা সমস্যা থাকায় তারা বাস নামানোর অনীহা প্রকাশ করছেন।
বাসচালক আবদুল সালাম জানান, “পাহাড়ি সড়কগুলোতে প্রায়ই চাঁদা দাবি করা হয়। বাসমালিকেরা বাস চালানোর নির্দেশ দিলেও নিরাপত্তার কারণে পরিস্থিতির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সড়কে বাস চালানো সম্ভব হচ্ছে না।” বান্দরবান-থানচি বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম বলেন, “চাঁদা দাবি করা গ্রুপটির সঙ্গে আমাদের কোনো সমন্বয় হয়নি। সমিতির সভাপতি অসুস্থতার কারণে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। তিনি সুস্থ হয়ে ফিরলে প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”
বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল শুকুর জানান, “বৃহস্পতিবার আমাদের সঙ্গে সমন্বয় হয়েছিল। শুক্রবার বাস চলাচল করবে বলে গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছিলাম। কিন্তু তাদের দাবি পূরণ করতে না পারায় চালকেরা বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন। আমি অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছি। সুস্থ হলে প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হবে।”
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পানির লাইন স্থাপনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সংস্কার করা হবে। এছাড়া জামিরা থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন লেনের বাইপাস সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিমানবন্দর থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত আরেকটি সড়ক নির্মাণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
"পাহাড়ি সড়কগুলোতে চাঁদা দাবি করা হয়। বাসমালিকেরা বাস চালানোর নির্দেশ দিলেও নিরাপত্তার কারণে পরিস্থিতির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সড়কে বাস চালানো সম্ভব হচ্ছে না।"
"চাঁদা দাবি করা গ্রুপটির সঙ্গে আমাদের কোনো সমন্বয় হয়নি। সুস্থ হয়ে ফিরলে প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বান্দরবান জেলা সদর, থানচি উপজেলা, রুমা, রোয়াংছড়ি, জামিরা, কাশিয়াডাঙ্গা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল সালাম, নুরুল আলম, আবদুল শুকুর, বাসচালকরা, বাসমালিকরা, বাসিন্দারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর, ৯ অক্টোবর, ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!