📌 বান্দরবানের লামা উপজেলায় ৫ দিন আগে বাড়ি থেকে বের হওয়া তিন কিশোরীর সন্ধান পায়নি পুলিশ। তানিয়া সুলতানা (১৩), রেশমি আক্তার (১৭) ও হালিমাতুচ্ছ সাদিয়া (শ্রেণি অজানা) নিখোঁজ। তাদের সার্টিফিকেট নেওয়ার কথা বলে বের হলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেনি এই তথ্য। পরিবার ও স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন
বান্দরবানের লামা উপজেলায় ৫ দিন আগে বাড়ি থেকে বের হওয়া তিন কিশোরীর সন্ধান পায়নি পুলিশ। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছে ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানিয়া সুলতানা (১৩), মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট নেওয়ার কথা বলে বের হওয়া রেশমি আক্তার (১৭) এবং হালিমাতুচ্ছ সাদিয়া। তাদের পরিবার ও স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বান্দরবান লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা-বধুরঝিরি এলাকায় ৫ দিনে নিখোঁজ তিন কিশোরীর সন্ধান পায়নি পুলিশ
- 📌 নিখোঁজ তিন কিশোরী হলো: তানিয়া সুলতানা (১৩, ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী), রেশমি আক্তার (১৭) ও হালিমাতুচ্ছ সাদিয়া (শ্রেণি অজানা)
- 📌 রেশমি আক্তারের বাড়ি থেকে বের হওয়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে — মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিশ্চিত করেননি সার্টিফিকেট নেওয়ার কথা
- 📌 ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ্দিন জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে অনিয়মিত ছিল
- 📌 লামা থানায় ১৩ অক্টোবর জিডি করা হলেও তাদের অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি
- 📌 পুলিশ তাদের চকরিয়ায় যাওয়ার তথ্য পেয়েছে, কিন্তু সেখানে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করা যায়নি
📰 বিস্তারিত
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা-বধুরঝিরি এলাকায় ৫ দিনে নিখোঁজ তিন কিশোরীর সন্ধান পায়নি পুলিশ। গত ১০ অক্টোবর সার্টিফিকেট নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়া তিন কিশোরীর মধ্যে তানিয়া সুলতানা ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অন্য দুই কিশোরীর শ্রেণি সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রেশমি আক্তার মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে এ তথ্যের সঙ্গে অমিল পাওয়া গেছে।
মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, নিখোঁজ তিন কিশোরীর কেউই সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য তার বিদ্যালয়ে যায়নি। ফলে সার্টিফিকেট সংগ্রহের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ্দিন জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে অনিয়মিত ছিল। তাদের সন্ধান পেতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
নিখোঁজ কিশোরীদের চকরিয়ায় যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেলেও তারা সেখানে ঠিক কোথায় অবস্থান করছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক, পরিচিত কারও সঙ্গে যোগাযোগ কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
"নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থীর অভিভাবকেরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তাদের নিখোঁজের কারণ উদ্ঘাটন ও সন্ধান পেতে পুলিশ কাজ করছে।"
লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থীর অভিভাবকেরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তাদের নিখোঁজের কারণ উদ্ঘাটন ও সন্ধান পেতে পুলিশ কাজ করছে। একসঙ্গে তিন কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা-বধুরঝিরি এলাকায় উদ্বেগ বিরাজ করছে। সন্তানদের কোনো বিপদ হয়েছে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বান্দরবান লামা উপজেলা, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন, ইয়াংছা-বধুরঝিরি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তানিয়া সুলতানা (১৩), রেশমি আক্তার (১৭), হালিমাতুচ্ছ সাদিয়া, মফিজ উদ্দিন (ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক), মোহাম্মদ কাইছার হামিদ (লামা থানার ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ দিন, ১৩ বছর, ১৭ বছর, ১০ অক্টোবর, ১৩ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!