📌 রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধর করা হয় এবং তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মালয়েশিয়াপ্রবাসী নারীর ছেলে হাফিজুর রহমানকে আহত করেন। পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধর করা হয় এবং তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাফিজুর রহমান রাজশাহী কলেজ শাখার ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা ছিলেন। তিনি মালয়েশিয়াপ্রবাসী নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি গতকাল শুক্রবার রাতে ওই নারীর ছেলের চোখে ধরা পড়ে এবং তিনি হাফিজুরকে মারধর করেন। পরে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিক্ষুব্ধ জনতা হাফিজুরের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে হাফিজুর রহমানকে মারধর করা হয় এবং তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়
- 📌 মালয়েশিয়াপ্রবাসী নারীর ছেলে হাফিজুরকে মারধর করেন এবং পরে বিক্ষুব্ধ জনতা তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন
- 📌 হাফিজুর রহমান রাজশাহী কলেজ শাখার ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা ছিলেন
- 📌 বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেরাজুল হক বলেছেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 হাফিজুরকে প্রথমে রাজশাহী ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে মারধর ও বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে শনিবার বেলা ১১টার দিকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, হাফিজুর রহমান রাজশাহী কলেজ শাখার ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা ছিলেন। তিনি ওই মালয়েশিয়াপ্রবাসী নারীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন। বিষয়টি গতকাল শুক্রবার রাতে ওই নারীর ছেলের চোখে ধরা পড়ে এবং তিনি হাফিজুরকে মারধর করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিক্ষুব্ধ জনতা হাফিজুরের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ ঘটনার জেরে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেরাজুল হক বলেছেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি নবিউল ইসলাম জানান, হাফিজুর রাজশাহী কলেজের ছাত্র থাকার সময় ছাত্রশিবিরের একটি দায়িত্বশীল পদে ছিলেন। তবে এলাকায় তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। হাফিজুরকে প্রথমে রাজশাহী ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হাফিজুরকে মারধর করার সময় তার ছেলের চোখে ধরা পড়ার পর তিনি আহত হন। স্থানীয়দের মতে, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে হাফিজুরকে মারধর করা হয় এবং পরে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
"আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে অভিযোগ পেলে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাঘা উপজেলা, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফিজুর রহমান, সেরাজুল হক, নবিউল ইসলাম, মালয়েশিয়াপ্রবাসী নারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১.০০ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!