📌 আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি কাভার্ড ভ্যানে বিস্ফোরণে ৭ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়। বিস্ফোরণে জড়িত ১৮ বছর বয়সী ইমতিয়াজ কাজী হারিয়ে যান। তার বাবা সাইফুল ইসলাম আতঙ্কিতভাবে বলছেন, ‘মানিক বেঁচে আছে কি মরে গেছে জানি না’
আশুলিয়ার একটি কারখানায় গত রোববার গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি কাভার্ড ভ্যানে বিস্ফোরণে ৭ জনের মৃত্যু ও ২৫ জনের আহত হওয়ার ঘটনায় একটি ১৮ বছর বয়সী যুবকের হারিয়ে যাওয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিস্ফোরণে জড়িত ইমতিয়াজ কাজী (১৮) বর্তমানে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার বাবা সাইফুল ইসলাম আজ সোমবার আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের ফটকে আহাজারি করতে থাকেন এবং আতঙ্কিতভাবে বলছেন, ‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না, সবাইকে খুঁজে পাচ্ছে, আমার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছি না’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি কাভার্ড ভ্যানে বিস্ফোরণে ৭ জন নিহত ও ২৫ জন আহত
- 📌 বিস্ফোরণে জড়িত ১৮ বছর বয়সী ইমতিয়াজ কাজী (১৮) হারিয়ে যান, বাবা সাইফুল ইসলাম আতঙ্কিত
- 📌 সাইফুল ইসলামের শ্যালিকার ছেলে নুর ইসলাম দগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি
- 📌 ইমতিয়াজের খোঁজ পাওয়ার জন্য ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে সন্ধান চালানো হলেও সফলতা না
- 📌 কারখানার নিরাপত্তাকর্মীরা বিস্ফোরণ সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারছেন না
📰 বিস্তারিত
ভোলা থেকে গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে কাভার্ড ভ্যান নিয়ে আশুলিয়া এসেছিলেন ইমতিয়াজ কাজী। তিনি ওই কাভার্ড ভ্যানের চালকের সহকারী ছিলেন। গত রোববার রাতে প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটার পর থেকে ইমতিয়াজের খোঁজ পাওয়া যায়নি। সাইফুল ইসলামের ভাষ্য, ‘গতকাল রাতে আমার ছেলে ইমতিয়াজ গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে এই কারখানায় এসেছিলেন। তার পর থেকে তাঁর খোঁজ পাচ্ছি না’।
সাইফুল ইসলাম রাজধানীর মুগদা থানার উত্তর মান্ডা এলাকায় বাস করেন। তিনি নিজেকে ইমতিয়াজের বাবা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। সাইফুল ইসলামের শ্যালিকার ছেলে নুর ইসলাম কাভার্ড ভ্যান চালাতেন। তিনি বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হলেও ইমতিয়াজের অবস্থা সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আজ সোমবার বেলা সোয়া তিনটার দিকে সাইফুল ইসলাম আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের ১ নম্বর ফটকের সামনে আহাজারি করতে থাকেন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সাইফুল ইসলামের আতঙ্কিত অবস্থা দেখে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না, সবাইকে খুঁজে পাচ্ছে, আমার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার ছেলেকে খুঁজে দেন’।
"আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না, সবাইকে খুঁজে পাচ্ছে, আমার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছি না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আশুলিয়া, প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমতিয়াজ কাজী (১৮), সাইফুল ইসলাম, নুর ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন নিহত, ২৫ জন আহত, ১৮ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!