📌 নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নতুন চাকরির আনন্দে বাড়ি ফিরছিলেন আনোয়ার হোসেন (৩০)। দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন। আনোয়ারের পরিবার এখনও তার মরদেহ পাননি
নতুন চাকরির আনন্দে বাড়ি ফিরছিলেন নাটোরের শ্রীপুর ইউনিয়নের চাঁইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন (৩০)। মঙ্গলবার ভোরে বড়াইগ্রামের নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে তিনি নিহত হন। এই দুর্ঘটনায় মোট ১৩ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছে। আনোয়ারের পরিবার এখনও তার মরদেহ পাননি এবং বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার জন্য অপেক্ষা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ বছর বয়সী আনোয়ার হোসেন নতুন চাকরির আনন্দে বাড়ি ফিরছিলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন
- 📌 দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন, বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে সংঘর্ষ ঘটে
- 📌 আনোয়ারের স্ত্রী ফাতেমা বিবি শ্বশুরবাড়ি থেকে খবর পেয়ে বাবার বাড়িতে আসেন, কিন্তু জ্ঞান হারিয়ে পড়েন
- 📌 আনোয়ারের চাচা আকতার হোসেন মরদেহ পাওয়ার জন্য নাটোরে যান, কিন্তু এখনও পাননি
- 📌 আনোয়ারের ভাতিজা মিজানুর রহমান জানান, তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন এবং নতুন প্রকল্পে যোগ দিয়েছিলেন
- 📌 বাগমারা থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম জানান, পরিবারকে মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়েছে এবং মরদেহ হস্তান্তরের জন্য যোগাযোগ চলছে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে বড়াইগ্রামের বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন। নাটোর ফায়ার সার্ভিস ও বড়াইগ্রাম থানার সূত্রে জানা যায়, আরপি পরিবহনের বাসটি বরিশাল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে আসছিল একটি ট্রাক। দুটি যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহতদের উদ্ধার করে নাটোর, রাজশাহীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আনোয়ার হোসেন রাজশাহীর বাগমারার শ্রীপুর ইউনিয়নের চাঁইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন এবং নতুন একটি প্রকল্পে যোগ দিয়েছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি সেই চাকরিতে যোগ দেন এবং বাড়ি ফিরছিলেন। নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়ায় বাস থেকে নামার কথা ছিল। সেখান থেকে বাড়িতে পৌঁছাবেন বলে পরিবারকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।
আনোয়ারের স্ত্রী ফাতেমা বিবি একই উপজেলার কনোপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। খবর পেয়ে সকালে বাবার বাড়িতে আসেন। কিন্তু তিনি বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন এবং কথা বলতে পারছিলেন না। খবর পেয়ে আনোয়ারের চাচা আকতার হোসেন মরদেহ আনতে সকালে নাটোরে পৌঁছান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘লাশ লিবার আলছি, এখনো পাইনি।’
"লাশ লিবার আলছি, এখনো পাইনি"
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় আনোয়ারের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য থানা–পুলিশ বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বড়াইগ্রাম, নাটোর; চাঁইপাড়া গ্রাম, শ্রীপুর ইউনিয়ন, বাগমারা, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ার হোসেন (৩০), ফাতেমা বিবি, আকতার হোসেন, মিজানুর রহমান, ওসি তৌহিদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর বয়স, ১৩ জন নিহত, ২৫ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!