📌 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নারী সদস্যের ছবি তৈরি করে ঢাকার তোফায়েল আলম টিটু (৩৫) ইতালিপ্রবাসী এক তরুণকে প্রেমে জালি করে প্রায় ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। পুলিশ টিটুকে গ্রেপ্তার করেছে এবং মামলা দায়ের করা হয়েছে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নারী সদস্যের ছবি তৈরি করে ঢাকার তোফায়েল আলম টিটু (৩৫) ইতালিপ্রবাসী এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই প্রতারণায় প্রায় ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে তিনি। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) টিটুকে গ্রেপ্তার করেছে এবং মামলা দায়ের করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার তোফায়েল আলম টিটু (৩৫) এআই দিয়ে নারী সেনা সদস্যের ছবি তৈরি করে ইতালিপ্রবাসী তরুণ শাহাদাত খান (২২)-এর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন
- 📌 নারীকণ্ঠে ফোনে কথা বলতেন টিটু এবং বিভিন্ন কৌশলে শাহাদাত ও তাঁর পরিবার থেকে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন
- 📌 পিবিআই ২০ সেপ্টেম্বর টিটুকে দারুস সালাম এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে, তিনটি মোবাইল ফোন ও প্রতারণার ব্যবহৃত অ্যাকাউন্টের সিম উদ্ধার করা হয়
- 📌 মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে এবং টিটু ২১ সেপ্টেম্বর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন
- 📌 পিবিআই জানায়, টিটুর বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ আদালতে সিআর মামলার তথ্য পাওয়া গেছে এবং ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নারী সদস্যের ছবি তৈরি করে ঢাকার তোফায়েল আলম টিটু (৩৫) ইতালিপ্রবাসী এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। শাহাদাত খান (২২) কেরানীগঞ্জের বাঘবাড়ি এলাকার শাহনাজ বেগমের (৪৬) ছেলে। টিটু ‘লেডি সোলজার/নারী যোদ্ধা’ নামে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে শাহাদাতের সঙ্গে পরিচয় করেন। ওই পেজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নারী সদস্যের পোশাক পরা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা হতো। পরে নারী সেনা সদস্যের পরিচয় দিয়ে ও নারীকণ্ঠে ফোনে কথা বলে শাহাদাতের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন টিটু।
একপর্যায়ে টিটু বিভিন্ন কৌশলে শাহাদাত ও তাঁর পরিবারের কাছ থেকে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রায় সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। শাহাদাত ও তাঁর মা বিষয়টি প্রতারণা বলে বুঝতে পারেন। এ ঘটনায় প্রথমে কেরানীগঞ্জে মামলা করা হয়। তদন্তকালে পিবিআই বিকাশ ও নগদের লেনদেনের তথ্যসহ বিভিন্ন নথি বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে ১০ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর পিবিআই ঢাকা জেলা মামলাটি স্বউদ্যোগে তদন্তের জন্য নেয়। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) মো. মনজুর রহমান তথ্য ও বিভিন্ন নথি বিশ্লেষণ করে আসামির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত করেন। পরে ২০ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দারুস সালাম এলাকা থেকে টিটুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ আজ রোববার পিবিআই ঢাকা জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
পিবিআই জানায়, টিটু নারীকণ্ঠে কথা বলতে পারেন। শাহাদাতের সঙ্গে ফেসবুক মেসেঞ্জারে পরিচয়ের পর ইমোতে নারীকণ্ঠে কথা বলতেন তিনি। শাহাদাতের মায়ের কাছে নিজের মায়ের অসুস্থতার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে টাকা নেওয়া হয়। ২১ সেপ্টেম্বর আদালত টিটুর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
"পিসিপিআর যাচাইয়ে টিটুর বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ আদালতে সিআর মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। ওই মামলার তদন্ত শেষে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (দারুস সালাম এলাকা), কেরানীগঞ্জ (বাঘবাড়ি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তোফায়েল আলম টিটু (৩৫), শাহাদাত খান (২২), শাহনাজ বেগম (৪৬), পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ, এসআই (নিরস্ত্র) মো. মনজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ লাখ টাকা, ৩৫ বছর, ২২ বছর, ৪৬ বছর, ২০ সেপ্টেম্বর, ১০ সেপ্টেম্বর, ৪০৬ ও ৪২০ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!