📌 রাজধানীর আদাবর ও চাঁদ উদ্যানে জমি দখল ও হামলায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদাবরে শ্যামলী হাউজিংয়ের বাড়ি দখল করতে গিয়ে হামলা চালানো হয়, যেখানে মালিকানা বিরোধে আদালতে মামলা চলছে। পুলিশ ছুরি উদ্ধার করে
রাজধানীর আদাবর ও চাঁদ উদ্যানে জমি দখল ও হামলায় পুলিশ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ে হামলাকারীদের সাথে ছুরি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মালিকানা বিরোধে আদালতে মামলা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আদাবর ও চাঁদ উদ্যানে জমি দখল ও হামলায় ১৩ জন গ্রেপ্তার, তাদের মধ্যে ছুরি উদ্ধার
- 📌 শ্যামলী হাউজিংয়ের বাড়ি দখল করতে গিয়ে ১৫-২০ জন মুখোশধারী হামলাকারী ভবনের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে
- 📌 মালিকানা বিরোধে আদালতে মামলা চলছে; বাড়ির মালিক দাবিদার আমিনুর রহমানের ভাগন ফাহাদ হোসেন বলেন, বাড়ির দলিল তাঁর মামার নামে
- 📌 খুরশীদ আলম খানের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়; তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছেন
- 📌 আদালতের নির্দেশে খুরশীদ আলম উচ্ছেদ হওয়ার পর আবার দখল পেয়েছিলেন আমিনুর রহমান
📰 বিস্তারিত
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, আদাবর থানা এলাকায় গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বাড়ি দখল ও হামলায় জড়িত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার মধ্যরাতে আদাবর থানায় অভিযান চালিয়ে আবুল কালাম আজাদ, মো. রাসেল, মো. আতিকুল, মো. রাসেল পিয়াদা ও লিয়নকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি সামুরাই (ছুরি) উদ্ধার করা হয়।
আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ের বাড়ি দখল করতে গিয়ে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক দাবিদার ব্যবসায়ী আমিনুর রহমান বাদী হয়ে খুরশীদ আলমসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে আদাবর থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। হামলাকারীরা দেশি অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভবনের প্রধান ফটকে হামলা চালায় এবং জোর করে ঢোকার চেষ্টা করে। তারা ভবনের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করে।
বাড়ির অন্যতম মালিক দাবিদার ফাহাদ হোসেন বলেন, ঘটনার সময় তিনি বাড়ির প্রধান ফটকে ছিলেন। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মুখে মাস্ক পরা চারজন দুর্বৃত্ত বাড়ি দখল করতে এসে প্রধান ফটক খুলে দিতে বলে। তারা চাপাতি দিয়ে প্রধান ফটক কোপায় এবং সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে। হামলায় মোট ১২–১৫ জন অংশ নেয়। তাদের সবার মুখে মাস্ক ছিল। ফাহাদ হোসেন দাবি করেন, বাড়ির প্রকৃত মালিক তাঁর মামা আমিনুর রহমান। তাঁর মামার গাড়ির শোরুম ও অ্যাগ্রো ফার্ম রয়েছে। বাড়ির দলিলসহ সব কাগজ তাঁর মামার নামে।
আদালতের নির্দেশে খুরশীদ আলম উচ্ছেদ হওয়ার পর আবার দখল পেয়েছিলেন আমিনুর রহমান। খুরশীদ আলমের বেয়াই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খুরশীদ আলম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তিনি দাবি করেন, শ্যামলী হাউজিংয়ের প্রকৃত জমির মালিক তাঁর বেয়াই খুরশীদ আলম। কিন্তু আমিনুর রহমান অবৈধ দখলদার।
"আমিনুরের বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। মকবুল হোসেনের প্রভাব খাঁটিয়ে আটতলা ভবন নির্মাণ করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আদাবর ও চাঁদ উদ্যান, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাহাদ হোসেন, আমিনুর রহমান, খুরশীদ আলম খান, জাহাঙ্গীর আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ জন গ্রেপ্তার, ১৫-২০ জন হামলাকারী, ৬ নম্বর রোড, ৪১ ও ৪২ নম্বর প্লট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!