📌 আদাবরে শনিবার ভোরে এক আটতলা বাড়িতে ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত টাকা না দিলে গেট ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়। মালিক আমিনুর রহমানের ভাতিজা মনির হোসেন জানান, পুলিশের দেরি ও পূর্বের দখল মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় ভয়াবহ পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে
আদাবরে শনিবার ভোরে একটি বাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলায় ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। রামদা, চাপাতি ও পিস্তলসহ ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত বাড়ির মালিক আমিনুর রহমানের বাসায় গিয়ে টাকা না দিলে গেট ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পুলিশের দেরি ও পূর্বের দখল মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় দুর্বৃত্তরা আবারও হামলা চালিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শনিবার ভোরে আদাবরে এক আটতলা বাড়িতে ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত হামলা চালায়।
- 📌 দুর্বৃত্তরা টাকা না দিলে গেটে চাপাতি ও রামদা দিয়ে কোপানো শুরু করে, জানালার কাচ ভাঙচুর করে।
- 📌 ভুক্তভোগী মনির হোসেন জানান, পুলিশ ৯৯৯ নম্বর পাওয়ার পরেও প্রায় তিন ঘণ্টা পরে আসে।
- 📌 ২০২৪ সালের ১৭ আগস্টও একই বাড়ি দখল করা হয়েছিল, কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি।
- 📌 পিবিআই তদন্তের পর বাড়ি ফেরত পাওয়ার পরেও দুর্বৃত্তরা আবার হামলা চালায়।
📰 বিস্তারিত
শনিবার ভোরে সাড়ে ছয়টায় আদাবরের একটি বাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলায় ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। মালিক আমিনুর রহমানের ভাতিজা মনির হোসেন প্রথম আলোকে জানান, ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত বাড়ির সামনে এসে প্রথমে টাকা দিতে বলেন। কিন্তু বাড়ির লোকেরা বের না হওয়ায় তারা গেটে চাপাতি ও রামদা দিয়ে কোপানো শুরু করে। পিস্তল হাতে একজন নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। গেটের সিসি ক্যামেরা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
মনির হোসেন বলেন, ‘আমরা ৯৯৯ নম্বর থেকে পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা প্রায় তিন ঘণ্টা পরে আসে। এত দেরি হলে দুর্বৃত্তদের ধরা সম্ভব হতো।’ তিনি আরও জানান, এই ঘটনার পর আদাবর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা তা জানেন না।
২০২৪ সালের ১৭ আগস্টও একই বাড়ি দখল করা হয়েছিল। খোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তি বাড়িটি দখল করে নেন। আদালত তদন্তের আদেশ দিলেও কোনো সুরাহা হয়নি। পরে পিবিআই তদন্ত করে গত ১২ মার্চ বাড়িটি ফেরত পাওয়ার পরেও দুর্বৃত্তরা আবার হামলা চালায়। মনির হোসেন ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারছেন না এবং সাহায্য চাইছেন।
"আমরা ভয়ের মধ্যে আছি। ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারছি না। আবার কখন কী হয়, বুঝতে পারছি না। এভাবে তো চলা যায় না। আমাদের সাহায্য করুন।"
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ বাড়িটি পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত চলছে। তবে কোনো অগ্রগতি আছে কিনা তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে দেখবেন।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আদাবর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনির হোসেন, আমিনুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত, ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট, ১২ মার্চ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!