📌 লক্ষ্মীপুরের উত্তর বাঞ্চানগরে স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে মারা যাওয়া হাফেজ আনসার আলীর ছেলেরা ৬০ বছর পর প্রতিবেশীর জমিতে তার কবর স্থানান্তর করেছেন। কাগজপত্র প্রস্তুত করে তারা আজ সকালে কবর স্থানান্তর করেছেন
লক্ষ্মীপুরের উত্তর বাঞ্চানগরে এক পরিবার ৬০ বছর পর বাবার কবর স্থানান্তর করেছেন। প্রতিবেশীর জমিতে দাফন করা হবার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাঞ্চানগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে মারা যাওয়া হাফেজ আনসার আলীর কবর ৬০ বছর পর স্থানান্তর করা হয়েছে প্রতিবেশীর জমি থেকে
- 📌 প্রতিবেশী নয়ন বেগম জমির দাবি জানানোর পর কবর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় হাফেজের ছেলেরা
- 📌 স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় কাগজপত্র প্রস্তুত করে মোহাম্মদ উল্লাহ এমপির বাড়িতে (বড় বাড়ি) সকালে কাজ সম্পন্ন হয়
- 📌 হাফেজ আনসার আলীর ছেলে হোসেন আহম্মদ বলেন, ‘বাবাকে দাফন করার সময় এত কিছু ভাবা হয়নি’
📰 বিস্তারিত
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাঞ্চানগর এলাকায় মোহাম্মদ উল্লাহ এমপির বাড়িতে (বড় বাড়ি) স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে মারা যাওয়া হাফেজ আনসার আলীর কবর স্থানান্তর করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাবাকে দাফন করার সময় জমির মালিকানা সম্পর্কে কোনো চিন্তা ছিল না। কিন্তু ৬০ বছর পর প্রতিবেশী নয়ন বেগম জমির দাবি জানানোর পর পরিবারটি কাগজপত্র প্রস্তুত করে কবর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।
হাফেজ আনসার আলীর ছেলে সাহাবুদ্দিন বড় মিয়া ও হোসেন আহম্মদ কবর স্থানান্তরের দায়িত্বে ছিলেন। তারা বলেছেন, ‘বাবাকে দাফন করার সময় এত কিছু ভাবা হয়নি। এখন আমরা জানতে পেরেছি, জায়গাটি প্রতিবেশী নয়ন বেগমের। তিনি বিষয়টি জানানোর পর আমরা সময় নিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেছি। আজ কবরটি স্থানান্তর করছি।’
"বাবাকে দাফন করার সময় এত কিছু ভাবা হয়নি। এখন আমরা জানতে পেরেছি, জায়গাটি প্রতিবেশী নয়ন বেগমের। তিনি বিষয়টি জানানোর পর আমরা সময় নিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেছি। আজ কবরটি স্থানান্তর করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর বাঞ্চানগর, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফেজ আনসার আলীর ছেলে হোসেন আহম্মদ ও সাহাবুদ্দিন বড় মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর, ১ নভেম্বর, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!