📌 সাগরে ছয় দিন মাছ ধরার পর এক ট্রলারে ধরা পড়ে ৬০ মণ ইলিশ। নিলামে বিক্রি হয় প্রায় ২০ লাখ টাকায়। জেলেদের মাঝি আব্দুর রহিম বলেন, সাগরে থাকার পর এত ইলিশ পাওয়ায় সবাই খুশি। মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, বঙ্গোপসাগরে ইলিশের সরবরাহ ভালো থাকায় জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন
সাগরে ছয় দিন মাছ ধরার পর এক ট্রলারে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়লে জেলেদের আনন্দের সাগর। বৃহস্পতিবার সকালে চেয়ারম্যান ঘাটে পৌঁছানোর পর ৬০ মণ ইলিশের নিলামে প্রায় ২০ লাখ টাকা বিক্রি হয়। ট্রলারের মাঝি আব্দুর রহিম জানান, সাগরে ছয় দিন থাকার পর একসঙ্গে এত ইলিশ পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাগরে ছয় দিন মাছ ধরার পর এক ট্রলারে ধরা পড়ে ৬০ মণ ইলিশ
- 📌 নিলামে বিক্রি হয় প্রায় ২০ লাখ টাকায় — প্রতিযোগিতামূলক দর হাঁকানোর পর
- 📌 ট্রলারের মাঝি আব্দুর রহিম বলেন, ‘সাগরে থাকার পর এত ইলিশ পাওয়ায় আমরা সবাই খুশি’
- 📌 সাইফুল মৎস্য আড়তের মালিক সাইফুল ইসলামের মতে, মাছগুলো তিন ধাপে নিলামে বিক্রি হয়েছে
- 📌 চেয়ারম্যান ঘাটের ব্যবসায়ী মো. আকবর হোসেন বলেন, ঘাটে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে
- 📌 জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, বঙ্গোপসাগরে ইলিশের সরবরাহ ভালো থাকায় জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন
📰 বিস্তারিত
১৮ জন মাঝি-মাল্লার নিয়ে ছয় দিন আগে সাগরে মাছ ধরতে যান ট্রলারটি। বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলার পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে মাছ নিয়ে তারা চেয়ারম্যান ঘাটে পৌঁছান। ঘাটে পৌঁছানোর পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ দেখে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। পরে মাছগুলো আড়তে নিয়ে নিলামে তোলা হলে ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতা করে দর হাঁকান। তিন ধাপে নিলাম শেষে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ বিক্রি হয় প্রায় ২০ লাখ টাকায়।
ট্রলারের মাঝি আব্দুর রহিম বলেন, ‘সাগরে ছয় দিন থাকার পর একসঙ্গে এত ইলিশ পেয়েছি। মাছ ভালো পাওয়ায় আমরা সবাই খুশি। দীর্ঘ সময় সাগরে থাকার খরচ ও শ্রমের পর ভালো পরিমাণ মাছ পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।’
সাইফুল মৎস্য আড়তের মালিক সাইফুল ইসলাম জানান, সকালে ট্রলারটি ঘাটে আসার পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যায়। মাছগুলো তিন ধাপে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। প্রায় ৬০ মণ ইলিশের দাম উঠেছে প্রায় ২০ লাখ টাকা।
চেয়ারম্যান ঘাটের ব্যবসায়ী মো. আকবর হোসেন বলেন, একসঙ্গে এত ইলিশ আসায় ঘাটে প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জেলেদের পাশাপাশি আড়তদার ও ব্যবসায়ীরাও এতে উপকৃত হবেন। সাগরে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে ব্যবসায়ও গতি আসবে বলে তিনি মনে করেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, এ সময়ে বঙ্গোপসাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা ভালো থাকায় জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন। একটি ট্রলারে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ পাওয়ার ঘটনা আনন্দের। তবে তিনি বলেন, ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে সরকারি নির্দেশনা মেনে মাছ ধরার পাশাপাশি জাটকা সংরক্ষণ এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
"সাগরে ছয় দিন থাকার পর একসঙ্গে এত ইলিশ পেয়েছি। মাছ ভালো পাওয়ায় আমরা সবাই খুশি। দীর্ঘ সময় সাগরে থাকার খরচ ও শ্রমের পর ভালো পরিমাণ মাছ পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চেয়ারম্যান ঘাট, বঙ্গোপসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুর রহিম (মাঝি), সাইফুল ইসলাম (মালিক), হারুন অর রশিদ (কর্মকর্তা), মো. আকবর হোসেন (ব্যবসায়ী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ মণ ইলিশ, ১৮ জন মাঝি-মাল্লা, ২০ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!