📌 মাগুরা ও ঝিনাইদহের সীমান্তে অবস্থিত কোদালিয়া-শ্রীরামপুরের ৫০০ মিটার কাঁচা সড়ক বর্ষা মৌসুমে চলাচল অসম্ভব করে তুলছে। ৩০ হাজার মানুষের জীবনযাপন এতে ব্যাহত হচ্ছে। এলজিইডি তালিকাভুক্ত না হওয়ায় সড়ক পাকা করার কোনো উদ্যোগ নেই
মাগুরা ও ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত কোদালিয়া-শ্রীরামপুরের ৫০০ মিটার কাঁচা সড়ক বর্ষা মৌসুমে চলাচল অসম্ভব করে তুলেছে। এই সড়ক দুটি উপজেলাকে যুক্ত করেছে, কিন্তু বর্তমানে এর দুরবস্থা ১০টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের জীবনকে দুঃসহ করে তুলেছে। কৃষকদের জন্য বিশেষভাবে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, কারণ উৎপাদিত ফসল ঘরে তোলা ও বাজারজাত করতে সড়কটি অপরিহার্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাগুরা ও ঝিনাইদহের সীমান্তে ৫০০ মিটার কাঁচা সড়ক বর্ষা মৌসুমে চলাচল অসম্ভব করে তুলেছে
- 📌 ১০টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে, বিশেষত কৃষকদের
- 📌 সড়কটি এলজিইডির তালিকাভুক্ত নয়, ফলে পাকা করার কোনো উদ্যোগ নেই
- 📌 বর্ষা মৌসুমে স্থানীয়রা পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে মাগুরা শহরে ও ছয় কিলোমিটার ঘুরে ঝিনাইদহ শহরে যেতে বাধ্য
- 📌 হরিশংকরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পলাতক হওয়ার পরেও সড়ক সমস্যা অব্যাহত
📰 বিস্তারিত
কোদালিয়া-শ্রীরামপুর সড়কটি মাগুরা সদর উপজেলার শ্রীরামপুর, হাজীপুর ও রামচন্দ্রপুর গ্রাম এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কোদালিয়া, যুগনী, বাগনী, আবাইপুর, হরিশংকরপুর, চন্দ্রজানী ও শিতারামপুর গ্রামকে সংযুক্ত করেছে। সড়কটি দিয়ে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যান চলাচল করে। তবে বর্ষা মৌসুমে বা ভারী বৃষ্টির কারণে সড়কটি পানি ও কাদায় ভরাট হয়ে যায়। তখন স্থানীয়রা পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে মাগুরা শহরে এবং ছয় কিলোমিটার ঘুরে ঝিনাইদহ শহরে যেতে বাধ্য হন।
স্থানীয় কৃষক আমজাদ হোসেন বলেন, তাঁর জমিতে ধান-পাট থেকে শুরু করে সব ধরনের চাষাবাদ হয়। উৎপাদিত ফসল সড়কটি দিয়ে ঘরে তুলতে হয়। বর্ষা মৌসুমে কাদার কারণে সড়কে চলাচল করা যায় না। ফলে কখনো কখনো জমিতে ফসলে রেখে দিতে হয়, যা আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি আরও বলেন, সড়কটি এলজিইডির তালিকাভুক্ত নয়। তবে নতুন করে বেশ কিছু সড়ক তালিকাভুক্তির জন্য ঢাকায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। সড়কটি তালিকাভুক্ত হলে পাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
হরিশংকরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ মাসুম বলেছেন, সরকারের উচিত সড়কটি পাকা করে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, বর্ষা মৌসুমে সড়কটি দিয়ে মোটেও চলাচল করা যায় না। কোদালিয়া গ্রামের বাসিন্দা সবুজ আলী বলেছেন, তাঁদের দুর্ভোগ লাঘবে কোনো সরকারই উদ্যোগ নিচ্ছে না।
"সড়কটি পাকা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়েছি, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি দিয়ে চলাচল করা যায় না। স্থানীয়দের দুর্ভোগ লাঘব করার কোনো উদ্যোগ নেই।"
এলজিইডির ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, সড়কটি এলজিইডির তালিকাভুক্ত নয়। তবে তাঁরা নতুন করে বেশ কিছু সড়ক তালিকাভুক্তির জন্য ঢাকায় চিঠি পাঠিয়েছেন। সড়কটি তালিকাভুক্ত হলে পাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগুরা ও ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সীমান্তে কোদালিয়া-শ্রীরামপুর সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমজাদ হোসেন (কৃষক), আবদুল্লাহ মাসুম (সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান), সবুজ আলী (কোদালিয়া গ্রামের বাসিন্দা), আবুল কালাম আজাদ (এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ মিটার (সড়কের দৈর্ঘ্য), ১০টি গ্রাম, ৩০ হাজার মানুষ, ৫ আগস্ট (চেয়ারম্যান পলাতক), ৩ অক্টোবর (সরেজমিন পরিদর্শন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!