📌 কম্বোডিয়ার প্রতারণা চক্র থেকে মুক্তি পেয়ে ৩০ বাংলাদেশি মঙ্গলবার ঢাকায় ফিরেছেন। তারা কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি পেয়ে থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে দেশে পৌঁছেছেন
কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি পেয়ে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মধ্যদিনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরেছেন ৩০ জন বাংলাদেশি। তারা থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দেশে পৌঁছান। এই ৩০ জনের মধ্যে রয়েছে মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কম্বোডিয়ার প্রতারণা চক্রে আটকা পড়া ৩০ বাংলাদেশি মঙ্গলবার ঢাকায় ফিরেছেন
- 📌 তারা ৩ সেপ্টেম্বর কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরার জন্য নাম নিবন্ধন করেছিলেন
- 📌 ইমিগ্রেশন যাচাইয়ে ৩২ জনের মধ্যে ৩০ জনকে ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়
- 📌 অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় মুক্তি পান তারা
- 📌 মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় ঢাকার বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা
📰 বিস্তারিত
চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় গিয়ে দেশটির বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েছিলেন এসব বাংলাদেশি। কম্বোডিয়া সরকার তাদের বিনা জরিমানায় দেশে ফেরার সুযোগ দিলে তারা ফেরার জন্য নাম নিবন্ধন করেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর তারা নমপেন বিমানবন্দরে পৌঁছান। তবে ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধ অবস্থানসহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জনকে আটক করে। পরে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জনকে ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়।
অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে আটক বাংলাদেশিদের মুক্তি ও দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তারা থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
"চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় গিয়ে প্রতারণা চক্রের শিকার হয়ে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের মুক্তি পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর), কম্বোডিয়া (নমপেন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ৩০ জন বাংলাদেশি (আবদুর রহমান, আব্দুল ওয়াদুদ, রাকিব হোসেন, সুমিত চন্দ্র দাস, রাজু হোসেন, আবু জাহের সবুজ, আলামিন পিকে, মো. লাবন, ইত্যাদি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন বাংলাদেশি, ৩২ জন আটক, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০ অক্টোবর, ১২:০০ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!