📌 নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় পাওয়ার টিলারের নিচে পড়ে ৩ বছর বয়সী সোহাগী নামের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিয়ালের ভয়ে দৌড়ানোর সময় দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ওসি বলেছেন, এটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু, কোনো আইনি জটিলতা নেই
নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায় পাওয়ার টিলারের নিচে পড়ে মারা যান ৩ বছর বয়সী একটি শিশু। আজ (১৩ অক্টোবর) বিকেলে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিয়ালের ভয়ে দৌড়ানোর সময় শিশুটি দুর্ঘটনাজনিতভাবে পাওয়ার টিলারের নিচে পড়ে মারা যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩ বছর বয়সী সোহাগী নামের শিশু নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে পাওয়ার টিলারের নিচে পড়ে মারা যান
- 📌 ১৩ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাটি ঘটে, শিয়ালের ভয়ে শিশু দৌড়ানোর সময় দুর্ঘটনা ঘটে
- 📌 শিশুর বাবা ২০০ গজ দূরে জমি চাষ করছিলেন, শিশু তার পিছনে পিছনে গিয়ে পাওয়ার টিলারের নিচে পড়ে যায়
- 📌 বদলগাছী থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেছেন, এটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু, কোনো আইনি জটিলতা নেই
📰 বিস্তারিত
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর মণ্ডলাপাড়া গ্রামে ১৩ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. বুলবুল হোসেনের খালি জমিতে পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করছিলেন সোহাগীর বাবা। শিশুটি তার পিছনে পিছনে গিয়ে পাওয়ার টিলারের নিকটে খেলাধুলা করতে থাকে। একপর্যায়ে পাশের ধানখেত থেকে দুটি শিয়াল বেরিয়ে আসলে শিশুটি ভয় পেয়ে দৌড় দেয়। এ সময় পাওয়ার টিলারের চাকা ঘুরিয়ে হাল চাষরত অবস্থায় শিশুটি সেটির নিচে পড়ে যায়। পাওয়ার টিলারের ফলা ও চাকার আঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাস্থলে এলাকাবাসীরা শোক প্রকাশ করে। বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় কোনো আইনি জটিলতা নেই এবং কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
"এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু। এ ঘটনায় কোনো আইনি জটিলতা নেই এবং কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।" — বদলগাছী থানার ওসি হাবিবুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জগন্নাথপুর মণ্ডলাপাড়া গ্রাম, আধাইপুর ইউনিয়ন, বদলগাছী উপজেলা, নওগাঁ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ৩ বছর বয়সী সোহাগী (নিহত শিশু)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বছর (শিশুর বয়স), ১৩ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ২০০ গজ (জমির দূরত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!