📌 পিরোজপুরের কাঞ্চন শিকদার বাবার ১৯৯৮ সালের ১০ হাজার টাকার দেনা শোধ করতে পাওনাদার রণজিত ঘোষের খোঁজে বেড়ে যাচ্ছেন। ২৮ বছর পরও খোঁজ মিলছে না, বাবার দায় শোধের আশায় তিনি এখনও লড়াই করছেন
পিরোজপুরের এক সন্তান বাবার ২৮ বছর পুরনো দেনা শোধ করতে পাওনাদারের খোঁজে বেড়ে যাচ্ছেন। মৃত্যুর আগে বাবা আবদুল খালেক শিকদারের কথা মনে রেখে কাঞ্চন শিকদার এখনও আশা হারাননি। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯৮ সালে ঢাকার ব্যবসায়ী রণজিত ঘোষের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে বাবা ঋণ শোধ করতে পারেননি। মৃত্যুর আগে তিনি সন্তানকে বলেছিলেন দেনা শোধের কথা, কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা সচ্ছল না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ বছর পরও খোঁজ মিলছে না: পাওনাদার রণজিত ঘোষের খোঁজে বেড়ে যাচ্ছেন কাঞ্চন শিকদার।
- 📌 ১০ হাজার টাকার দেনা: ১৯৯৮ সালে ঢাকার ‘প্রদীপ ভান্ডার’ থেকে ঋণ নিয়ে বাবা শোধ করতে পারেননি।
- 📌 ৪৫ বছর বয়সী কাঞ্চন: বাবার কথা মনে রেখে তিনি এখনও দেনা শোধের আশায় আছেন।
- 📌 ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে খবর: ‘বঙ্গভিটা’ পেজে ১৪ সেপ্টেম্বর পোস্ট করা হয় এই বিষয়ে।
📰 বিস্তারিত
কাঞ্চন শিকদার বাবার কথা মনে রেখে দেনা শোধের লড়াই করছেন। তিনি জানান, বাবা ২০১১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে তিনি বলেছিলেন, ‘দেনা শোধ করতে পারি নাই, অহন আল্লাহ সুযোগ দিচ্ছেন।’ বাবা পিরোজপুর থেকে ঢাকায় ব্যবসা করতে আসতেন। সেখানে রণজিত ঘোষের সঙ্গে পরিচয় হয়। ১৯৯৮ সালে ‘প্রদীপ ভান্ডার’ থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসা সফল না হওয়ায় দেনা শোধ করতে পারেননি।
কাঞ্চন শিকদার বর্তমানে পিরোজপুর সদরে খামারে গরু লালন-পালন করেন। এছাড়াও এলাকায় মাছের ব্যবসা রয়েছে তার। তিনি বলেন, ‘একসময় আমরা অভাবগ্রস্ত ছিলাম। বাবার দায় শোধ করতে পারি নাই।’ তিনি শাঁখারীবাজারে রণজিত ঘোষের বাসস্থান কয়েকবার গিয়েছেন, কিন্তু খোঁজ মিলছে না।
‘বঙ্গভিটা’ ফেসবুক পেজে ১৪ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে পোস্ট করা হয়। প্রথম আলো সেই পোস্টের সূত্র ধরে কাঞ্চন শিকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি এখনও আশা হারাইনি। বাবার কথা মনে রেখে দেনা শোধের চেষ্টা করছি।’
"একসময় আমরা অভাবগ্রস্ত ছিলাম। দেনা শোধ করতে পারি নাই। অহন আল্লাহ সুযোগ দিচ্ছেন। বাবার দায় শোধ করবার চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুর সদর, ঢাকার শাঁখারীবাজার, পুরান ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাঞ্চন শিকদার, আবদুল খালেক শিকদার, রণজিত ঘোষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর, ১০ হাজার টাকা, ৪৫ বছর, ১৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!